Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

kolkata

2 months ago

Samik Bhattacharya: কামারহাটি পুরসভায় নতুন চেয়ারম্যান লকেটের ভাই! নিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন, রিপোর্ট তলব শমীকের

Samik Bhattacharya
Samik Bhattacharya

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  সরকার পরিবর্তনের পর কামারহাটি পুরসভাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা পদত্যাগ করার কিছু দিনের মধ্যেই সেই দায়িত্বে বসেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের ভাই সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে থাকে—তাহলে কি কামারহাটি পুরসভা কার্যত বিজেপির নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে? এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি দলের অভ্যন্তরীণ একাংশকে সতর্ক করে জানান, কোনওভাবেই ‘দখলদারির’ রাজনীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে কামারহাটি পুরসভার সাম্প্রতিক পরিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্টও তলব করেছেন তিনি। 

রাজ্যে পালাবদলের পরেই একের পর এক পুরসভায় দেখা দেয় ডামাডোল! একের পর এক পুরসভা হাতছাড়া হয় তৃণমূলের। এরমধ্যেই গত ১২ জুন কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান এবং কাউন্সিলর—দুই পদ থেকেই ইস্তফা দেন গোপাল সাহা। এরপর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দীপাংশু ঘোষাল, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মী বিশ্বাস এবং ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামল চক্রবর্তীও কাউন্সিলর পদ ছাড়েন। গোপাল সাহার ইস্তফার পর থেকেই চেয়ারম্যান পদে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের দাদা তথা নির্দল কাউন্সিলর সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। 

গত শুক্রবার তৃণমূল কাউন্সিলরদের সমর্থনেই কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। বোর্ড বৈঠকে উপস্থিত ২৭ জন কাউন্সিলরের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নাম চূড়ান্ত হয়। এরপরেই প্রচার শুরু হয়, বিজেপির দখলে কামারহাটি পুরসভা! যা নিয়ে আজ, সোমবার প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই ক্ষোভ উগরে দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে মুরলীধর সেন লেনে বিজেপির দপ্তরে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানেই শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ”যে কেউ আসবে, নিজেকে কাউন্সিলর বানিয়ে ফেলবেন, দল চুপ করে মেনে নেবে? এটা হতে দেওয়া যাবে না।”

এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্টও তলব করেন রাজ্য সভাপতি। জানান, কামারহাটির ঘটনা বিস্তারিত খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দিতে হবে। রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তীকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে চারটের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ারও নির্দেশ দেন শমীক ভট্টাচার্য।  স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কামারহাটি নিয়ে যে প্রচার চালানো হচ্ছে তা হতে দেওয়া চলবে না। এমনকী কোনও নেতা, মন্ত্রী কিংবা বিধায়কের যে কথা চলবে না তাও এদিন বুঝিয়ে দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। 

You might also like!