West Bengal

1 hour ago

TMC Controversy: রাতের অন্ধকারে নথি সরানোর অভিযোগ, নবদ্বীপে তৃণমূল অফিস ঘিরে তুমুল চাঞ্চল্য

Tension at the Trinamool office over the incident
Tension at the Trinamool office over the incident

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  রাতের অন্ধকারে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি সরানোর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল নবদ্বীপে। অভিযোগ, স্থানীয় বাসিন্দারা দুই ব্যক্তিকে সন্দেহজনক অবস্থায় ধরে ফেলেন এবং তাঁদের পুলিশের হাতে তুলে দেন। সোমবার রাতে নবদ্বীপ শহরের হাসপাতাল রোড এলাকায় ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। স্থানীয়দের দাবি, আটক হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে বেশ কিছু সরকারি নথি, রেশন কার্ড এবং বাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পর পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে। কীভাবে ওই নথিগুলি তাঁদের কাছে পৌঁছল, তা জানতে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। 

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের দুজনের নাম দীপক মণ্ডল ও মানিক ঘোষ। স্থানীয়দের দাবি, রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই ওই পার্টি অফিসটি বন্ধ ছিল। সম্প্রতি সেটি খোলা হয়। শুধু তাই নয়, রাতের অন্ধকারে একেবারে কার্যালয় খুলে নথিপত্র সরানো হচ্ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের। স্থানীয় এক বাসিন্দা চিরঞ্জিত দেবনাথের অভিযোগ, প্রতিদিন সাইকেলে খালি ব্যাগ নিয়ে আসতেন এবং ফেরার সময় ব্যাগভর্তি নথি নিয়ে চলে যেতেন অভিযুক্তরা। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হতেই হাতেনাতে সোমবার রাতে দু’জনকে ধরা হয়। চিরঞ্জিতবাবুর দাবি, ধৃতদের ব্যাগ থেকে রেশন কার্ড, বিভিন্ন সরকারি নথি, বাড়ির কাগজপত্র এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত নথি উদ্ধার হয়েছে। 

ইতিমধ্যে অভিযুক্ত দীপক মণ্ডল এবং মানিক ঘোষকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল নথিও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। এদিকে ধৃত দীপক মণ্ডল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুরাধা মুখোপাধ্যায় এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ঝন্টু লাল দাসের নির্দেশেই তাঁরা ওই নথিপত্র সরাচ্ছিলেন। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, ওই তৃণমূল কার্যালয়ে এমন কি নথি রয়েছে? যা রাতের অন্ধকারে সরাতে হচ্ছে।

You might also like!