দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ- স্বাধীনোত্তর ভারতবর্ষে উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কি কি পন্থা অবলম্বন করতে হবে তা পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জীবন দর্শন, সাহিত্য রচনার মধ্যে বারবার ফুটে উঠছে। রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের রাজ্যভিত্তিক জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে হলে আমাদেরকে অবশ্যই ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি-পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মতো মনীষীদের দর্শন ও ভাবনাকে ভিত্তি করে এগিয়ে যেতে হবে। কিন্তু বিগত দিনের কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার কখনোই এইসব মহাপুরুষদের জীবন দর্শন ও কর্মপন্থা দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচার করার উদ্যোগ নেয়নি। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর তাঁদের দেখানো পথেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। যার ফলে দেশের প্রতিটি প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে একের পর এক জনকল্যাণমুখী প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মরণোত্তর পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় জাতীয় সংহতি পুরস্কার ব্রজেশ চক্রবর্তীকে দেওয়া হয়। সামাজিক কাজ এবং জনসংযোগ রক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য তাঁর পরিবারের সদস্যা গায়িত্রী চক্রবর্তীর হাতে মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য অতিথিগণ এই পুরস্কার তুলে দেন। পুরস্কার হিসেবে নগদ ১ লক্ষ টাকার চেক, স্মারক, শাল তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে মহাবিদ্যালয়স্তরের পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের উপর প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় হয়েছে যথাক্রমে শচীন দেববর্মণ সঙ্গীত মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রী স্নেহা সাহা, মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রী দেবাত্রি নন্দী এবং রামঠাকুর কলেজের ছাত্র মুজিবর রহমান।