
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: কালীঘাট তৃণমূলের জন্য কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কা। ইডি যে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছে, তা ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে করা আবেদনে আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত। সোমবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে মামলার শুনানিতে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই পর্যায়ে ইডির ফ্রিজ করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত পদক্ষেপে হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপাতত কোনও স্বস্তি পেল না কালীঘাট তৃণমূল।
ইডির তরফে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় মামলায় হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার এই মামলা বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের আদালতে উঠলে তিনি জানিয়ে দেন, এই মুহূর্তেই ইডির ফ্রিজ় করা অ্যাকাউন্ট নিয়ে আদালত কোনওরকম হস্তক্ষেপ করবে না। তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত মামলায় চলতি মাসের শুরুতেই কলকাতার পাঁচ জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি), যার পরেই তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে ৪৪০ কোটি টাকা 'ফ্রিজ়' করার নির্দেশ দেয় তারা। সূত্রের খবর, এই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে আর্থিক লেনদেনে কোনও অনিয়ম হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখতে চাইছে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। প্রথম থেকেই কালীঘাট-তৃণমূল দাবি করে এসেছে, ইডির এই সিদ্ধান্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের তরফে বিবৃতি দিয়ে দাবি করা হয়, দলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা সমস্ত তহবিলের তথ্য সম্পূর্ণ ও স্বচ্ছ ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন ও আয়কর বিভাগের কাছেও সমস্ত অনুদান সংক্রান্ত লেনদেনের তথ্য দাখিল করা হয়েছে।
তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত মামলায় চলতি মাসের শুরুতেই কলকাতার পাঁচ জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এর পরেই তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে ৪৪০ কোটি টাকা ‘ফ্রিজ়’ করার নির্দেশ দেয় তারা। সূত্রের খবর, এই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে আর্থিক লেনদেনে কোনও অনিয়ম করা হয়েছে কি না সেই ব্যাপারে তদন্ত করে দেখতে চাইছে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। যদিও প্রথম থেকেই কালীঘাট তৃণমূল গোষ্ঠী দাবি করে এসেছে, ইডির এই সিদ্ধান্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের তরফে বিবৃতি দিয়ে দাবি করা হয়, দলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা সমস্ত তহবিলের তথ্য সম্পূর্ণ ও স্বচ্ছ ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। ভারতের নির্বাচন কমিশন ও আয়কর বিভাগের কাছেও সমস্ত অনুদান সংক্রান্ত লেনদেনের তথ্য দাখিল করা হয়েছে। এই তথ্য প্রতি বছর নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয় এবং তা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। এর পাশাপাশি নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে। তাই এই তিন অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় কালীঘাট-তৃণমূল। তবে ইডির তদন্তে হাইকোর্ট যে কোনও বাধা দেবে না, তা কার্যত স্পষ্ট হয়ে গেল।
অন্যদিকে পুলিশ যে তৃণমূলের তিনটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় করেছে, সেই তিন অ্যাকাউন্ট থেকে প্রতিদিনের কাজের খরচের জন্য শর্তসাপেক্ষে টাকা তোলা যাবে বলে আগেই নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত নির্দেশ দেয়, তিনটে ফ্রিজ় অ্যাকাউন্ট থেকে দলের প্রকৃত ব্যবহারকারীরা চেকের মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন। তার জন্য স্পেশাল অফিসার হিসেবে হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সুব্রত তালুকদারকে নিয়োগ করে আদালত। পুলিশের তরফে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২১ সেপ্টেম্বর। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানিয়ে দিয়েছেন, ইডির ফ্রিজ় করা তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে আদালত কোনওরকম হস্তক্ষেপ করবে না। চলতি মাসের শুরুতে কলকাতার পাঁচ জায়গায় তল্লাশি অভিযানের পর আর্থিক লেনদেনে অনিয়ম খতিয়ে দেখতে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ় করে ইডি। কালীঘাট-তৃণমূলের দাবি, ইডির সিদ্ধান্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তাদের সব তহবিলের তথ্য নির্বাচন কমিশন ও আয়কর বিভাগের কাছে স্বচ্ছভাবে দাখিল করা আছে। ইডির ফ্রিজ় করা অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা যাবে না। তবে পুলিশের তরফে যে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় করা হয়, তা নিয়ে আগেই নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। শর্তসাপেক্ষে চেকের মাধ্যমে টাকা তোলা যাবে বলে আগেই নির্দেশ দিয়েছিল। এই প্রক্রিয়ার নজরদারির জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সুব্রত তালুকদারকে স্পেশাল অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়।
