Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

kolkata

1 month ago

TMC protest: মমতার উপর হামলার প্রতিবাদে এক মঞ্চে কুণাল-ঋত শিবির! বিধানসভায় নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত

TMC protest
TMC protest

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ক্ষমতায় থাকুন বা বিরোধী আসনে, প্রতিবাদের ময়দানে বরাবরই সক্রিয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই কারণেই দলের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য থাকলেও ‘আসল’ তৃণমূলের একাংশ এখনও তাঁকেই নেত্রী হিসেবে মানছে। রবিবার হালিশহরে মমতার গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে সোমবার বিধানসভা চত্বরে তারই ইঙ্গিত মিলল। কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়কদের সঙ্গে একই মঞ্চে প্রতিবাদে সামিল হলেন ঋতব্রতপন্থী তিন বিধায়ক—খালেক মোল্লা, তৌসিফুর রহমান ও বিভাস সর্দার। মমতার উপর হামলার ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হন তাঁরাও। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি ঋতব্রত শিবিরের প্রভাব বাড়ার বদলে কিছুটা হলেও কমছে? 

শুক্রবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়ার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিরজু কেওটকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত। এলাকায় তোলাবাজি-মারামারির অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলেই জানান তদন্তকারীরা। পরিবারের দাবি, গ্রেপ্তারের পর তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়। সন্ধ্যায় তাঁর স্ত্রী জেলে দেখাও করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় বিরজু সুস্থই ছিলেন বলে জানান তাঁর স্ত্রী। হালিশহর থানার পুলিশের দাবি, শুক্রবার ভোররাতে ওই যুবককে অসুস্থ অবস্থায় লকআপে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাঁর মৃত্যুর খবর মেলে। পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ হেফাজতে বিরজুকে খুন করা হয়েছে। এই খবর পেয়েই রবিবার দুপুরে হালিশহরে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেসময় বিক্ষোভের মুখে পড়েন মমতা। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে জল ও কাদা ছোড়া হয়। জুতোও ছোড়া হয়। ‘চোর ও ডাকাতরানি’ স্লোগানও দেওয়া হয়। এনিয়ে তৃণমূলনেত্রীর প্রতিক্রিয়া, “আমরা তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি। বিজেপি ইট মেরেছে। গাড়ির কী অবস্থা করেছে দেখুন। বাংলা গুন্ডাদের হাতে চলে গিয়েছে।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর এহেন হামলার প্রতিবাদে আজ বিধানসভা চত্বরে বিক্ষোভ কর্মসূচি করে কালীঘাট তৃণমূল নেতৃত্ব। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়রা হাতে বিজেপি বিরোধী পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। তাতে শামিল হতে দেখা যায় ঋতব্রতপন্থী তিন বিধায়ককে। পোস্টার হাতে মমতার পাশে থেকে বিক্ষোভ দেখালেন খিদিরপুরের বিধায়ক আবদুল খালেক মোল্লা, বসিরহাট উত্তরের তৌসিফুর রহমান, বারুইপুর পূর্বের বিভাস সর্দার। আর এহেন বিরল ছবি নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।




You might also like!