Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

kolkata

2 months ago

CM Suvendu Adhikari: ‘গাছকেও রেহাই দেওয়া হয়নি’, অরণ্য সপ্তাহের মঞ্চ থেকে আগের সরকারকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

CM Suvendu Adhikari
CM Suvendu Adhikari

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: শিল্পায়নের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষাতেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সেই বার্তা দিয়েই মঙ্গলবার সল্টলেকের বনবিতানে নিজের হাতে গাছ লাগিয়ে ‘অরণ্য সপ্তাহ’-এর সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুধু প্রতীকী কর্মসূচি নয়, পরিবেশ সংরক্ষণে বাস্তব পদক্ষেপ হিসেবে বনদপ্তরের উদ্যোগে শুরু হয়েছে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ অভিযান। মন্ত্রী মনোজ ওঁরাওয়ের উদ্যোগে স্কুলপড়ুয়াদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ১০ লক্ষ চারাগাছ, যাতে আগামী দিনে সবুজায়নের পরিধি আরও বাড়ানো যায়।বন বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ কর্মসূচিতে অনুপ্রাণিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, বাংলাও হয়ে উঠুক অরণ্যময়। রাজ্যে বছরভর মোট ৭ লক্ষ ২০ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তার কথা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর পরামর্শ, ‘‘বজ্রপাত থেকে বাঁচতে সবাইকে বলব, নারকেল গাছ লাগান বেশি করে।”

সেখানে আগের তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারকে বিঁধে শুভেন্দু বলেন, ‘আমাদের রাজ্য কংক্রিটের জঙ্গলে ভরে গিয়েছে। আমরা কোথাও কোনও পরিকাঠামো উন্নয়নে ছাড়পত্র দিলে বলে দিই, দুই-তৃতীয়াংশ পরিকাঠামোর জন্য। বাকি এক-তৃতীয়াংশ বৃক্ষরোপণের জন্য। হেলিকপ্টারে যখনই উঠি , শিউরে উঠি নীচের দিকে তাকিয়ে। অরণ্যসুন্দর ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার কী অবস্থা হয়েছে! হাসিমারা যাওয়ার পথে দেখি তরাই-ডুয়ার্স, চালসার অবস্থা ভয়ঙ্কর। ধ্বংস তো সব কিছু করে দিয়েছেন। গাছটাকেও ছাড়েনি আপনারা।’

মুখ্যমন্ত্রী জানান, যে ভাবে অরণ্য ধ্বংস হয়েছে, তাতে পরিবেশের মান খারাপ হয়েছে দিনে দিনে। এই পরিস্থিতিতে মুক্তি পেতেই বৃক্ষরোপণে জোর দেওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। বলেন, ‘৫ জুন, পরিবেশ দিবসে আমরা লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিলাম, এই বছর ৭ কোটি ২০ লক্ষ গাছ লাগাব। ৫ জুন আমাদের ৭ লাখ গাছ লাগানোর টার্গেট ছিল। আমরা ৯ লক্ষের বেশি গাছ লাগিয়েছি।’

তবে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, শুধু গাছ লাগালেই হবে না। নজরদারিও করতে হবে। গাছেরও রক্ষণাবেক্ষণ দরকার। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে শুভেন্দু বলেন, ‘আমি এক সময়ে হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান ছিলাম। শুধু গাছ লাগালে হবে না। মনিটরিং করতে হবে। এক হাজার গাছ লাগালে, তিন-সাড়ে তিন বছর পরে আমরা ৫০০-৫৫০ গাছকে দাঁড় করাতে পারতাম। গাছ লাগালে ২ বছর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিতে হবে। আসুন দূষণমুক্ত, পরিবেশবান্ধব, অরণ্যসুন্দর পশ্চিমবঙ্গ গড়ে তুলি।’দলের সাংসদ বিধায়ক-সহ জনপ্রতিনিধিদের গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের বিধায়করাও তো নিজের কেন্দ্রে এক লক্ষ গাছ লাগাতে পারেন। সাংসদেরাও তো পারেন তাঁদের কেন্দ্রে সাত লক্ষ গাছ লাগাতে। তবে গাছ পূর্ণতা না পাওয়ার আগেই যেন তা কেউ কেটে না ফেলে, সেটাও দেখতে হবে।’

নতুন সরকারের আমলে বন দপ্তরকেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘আগের সরকার বন দপ্তরকে অবহেলা করেছে। বরাদ্দ দেয়নি। লোকবল দেয়নি। পরিকাঠামো দেয়নি। ওডিশা-ছত্তীসগঢ় থেকে শিখে আসুন। কী ভাবে বন দপ্তরকেও গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে পরিণত করা যায়, সেটা শিখে নিন। ডাবল ইঞ্জিন সরকার সেটা করবে।’

You might also like!