Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

kolkata

2 months ago

Abhishek Banerjee: সেবাশ্রয় শিবিরে অনিয়মের অভিযোগ, অভিষেক সহ ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ বিজেপি নেতার

Abhishek Banerjee Sebashroy
Abhishek Banerjee Sebashroy

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  সেবাশ্রয় প্রকল্প নিয়ে এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। বিষ্ণুপুর থানায় জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। অভিযোগকারীর দাবি, সেবাশ্রয় শিবিরে হাতুড়ে ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের দিয়ে আধুনিক চিকিৎসা করানো, নিয়মবহির্ভূতভাবে মেডিক্যাল সরঞ্জাম ব্যবহার, জোর করে লোক জড়ো করে ভিড় বাড়ানো এবং চিকিৎসায় গাফিলতির মতো বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, অভিযোগপত্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও তাঁর আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়, অয়ন ঘোষ দস্তিদার, স্থানীয় বিধায়ক, পঞ্চায়েত সদস্য এবং সেবাশ্রয় কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের নাম রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। 

অভিযোগ পত্রে ঠিক কী কী জানিয়েছেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস? তাঁর দাবি, সেবাশ্রয়ের নামে ডায়মন্ড হারবারবাসীকে ‘টুপি’ পরিয়েছেন অভিষেক। অভিযোগ, সেবাশ্রয়ে আনা হত হাতুড়ে ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের। তাঁদের কারও রেজিস্ট্রশন নেই। তাঁরাই নাকি মর্ডান চিকিৎসা করতেন! একটি প্রেসক্রিপশন দেখিয়েছেন অভিজিৎ। সেখানে রোগীর নাম-বয়স লেখা রয়েছে, তবে নেই রোগের বিবরণ। শুধু লেখা, ‘রেফার্ড টু হসপিটাল।’ সেই প্রেশক্রিপশনে চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন নম্বরও লেখা নেই। তিনি আরও দাবি করেছেন, ইউএসজির মেশিন ব্যবহারের জন্য আইন অনুযায়ী যে অনুমতির দরকার, তাও নাকি নেননি অভিষেক। এখানেই শেষ নয়, জোর করে এলাকার বাসিন্দাদের সেবাশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হত বলে দাবি। কারণ, ভিড় না বাড়লে সেবাশ্রয় যে সফল তা প্রমাণ করা যাবে না। এছাড়া ওষুধের মান, মেয়াদ নিয়েও অভিযোগ পত্রে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা। অভিযোগের কপি ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার এসপি-কেও পাঠিয়েছেন তিনি। 

উল্লেখ্য, আগেই সেবাশ্রয় নিয়ে সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলেছেন এক চিকিৎসক। তিনি সেবাশ্রয়ের ক্যাম্পে থাকতেন বলেই দাবি। ঠিক অভিযোগ তাঁর? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই চিকিৎসক জানান, সেবাশ্রয়ে চিকিৎসা হত বিনামূল্যে। কিন্তু ঘুরপথে রোগীদের থেকে আদায় করা হত মোটা টাকা। কীভাবে? ওই চিকিৎসক জানান, সেবাশ্রয়ে রোগীদের এমআরএই, সিটি স্ক্যান করানোর পরামর্শ দেওয়া হত। কিন্তু এই পরীক্ষাগুলো স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। তাই চিকিৎসকরা প্রেসক্রিপশনে এই ধরণের পরীক্ষা লিখে দিলেই ময়দানে নামতেন সেবাশ্রয়ে থাকা বিভিন্ন হাসপাতালের মার্কেটিং বিভাগের কর্মীরা। তাঁদের দায়িত্ব ছিল, রোগীদের বুঝিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা। এরপর রোগীরা কেউ হাঁটু ব্যথা, কেউ অন্য কোনও সমস্যা দেখিতে ভর্তি হতেন হাসপাতালে। ১০-১২ দিন ভর্তি রাখায় চড়চড়িয়ে বাড়ত বিল। তা কাটা হতো স্বাস্থ্যসাথী ফান্ড থেকে। অর্থাৎ ঘুরপথে সরকারি প্রকল্পের টাকা চলে যেত অভিষেকের কাছে! বিষয়টা প্রকাশ্যে আসতেই তাজ্জব সকলে।       

You might also like!