
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বনগাঁর অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী-কে ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্ক এখনও থামার কোনও লক্ষণ নেই। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই আইনি লড়াই আরও জটিল আকার নিচ্ছে। এবার আদালতে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের আবেদন জানিয়ে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এলেন তনয় শাস্ত্রী। মিমিকে হেনস্তার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় দু'সপ্তাহ জেল হেফাজতে থাকার পর জামিনে মুক্তি পান তনয় শাস্ত্রী। মুক্তির পর তিনি অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন। তনয়ের অভিযোগ, মামলার একাধিক শুনানির তারিখ পেরিয়ে গেলেও আদালতে উপস্থিত হননি মিমি। সেই কারণেই তাঁর আইনজীবী তথা বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি আদালতের কাছে চার্জ গঠনের আবেদন জানিয়েছেন। আবেদন মঞ্জুর হলে ভবিষ্যতে অভিনেত্রীর আদালতে হাজিরা বাধ্যতামূলক হতে পারে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে খুব বেশি মন্তব্য না করলেও সমাজমাধ্যমে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মিমি। তাঁর দাবি, তাঁকে ঘিরে যেসব তথ্য ও দাবি প্রচার করা হচ্ছে, তার অনেকগুলিই বিভ্রান্তিকর। কোনও তথ্য প্রচারের আগে তা যথাযথভাবে যাচাই করার আবেদন জানিয়েছেন অভিনেত্রী। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, গত ২৫ জানুয়ারি বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের বার্ষিক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন মিমি চক্রবর্তী। অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে অনুষ্ঠানে পৌঁছন তিনি। রাত ১২টা পর্যন্ত প্রশাসনিক অনুমতি থাকায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় বলে দাবি আয়োজকদের একাংশের। এরপর ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক এবং থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে তনয় শাস্ত্রী গ্রেপ্তার হন এবং আদালতের নির্দেশে জেল হেফাজতে থাকেন। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি পালটা মানহানির মামলা দায়ের করেন। সেই মামলাকেই কেন্দ্র করে এবার নতুন করে আইনি টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। ফলে বনগাঁ-কাণ্ডের জট আপাতত কাটার কোনও ইঙ্গিত মিলছে না।
