Breaking News
 
Vivekananda Merit Scholarship :শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ, মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু হল বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ Chief Minister Suvendu Adhikari : র্নীতি ও কাটমানি খতিয়ে দেখতে কমিশন গড়লেন শুভেন্দু, সঙ্গে নারী নির্যাতন নিয়েও আলাদা কমিশন CM Suvendu Adhikari starts Janatar darbar : সল্টলেকে বিজেপি দফতরে শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, জনতার সমস্যা শুনে মিলল স্বস্তি Suvendu Adhikary: “কাশ্মীরে বন্ধ হয়েছে, এখানেও হবে”—পার্ক সার্কাসে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি ,গ্রেফতার ৪০ Suvendu Adhikari :রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়, আর জি কর ইস্যুতে স্বাস্থ্যসচিবকে জরুরি তলব মুখ্যমন্ত্রীর Annapurna Bhandar : অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমে নতুন ঘোষণা, ১ জুন থেকেই ৩ হাজার টাকা পাবেন নির্দিষ্ট উপভোক্তারা

 

Country

1 month ago

Priyanka Gandhi: রাজনীতির মঞ্চে কটাক্ষ: প্রিয়াঙ্কার মন্তব্যে হাসলেন খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ

Priyanka Gandhi
Priyanka Gandhi

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: আধুনিক ভারতীয় রাজনীতিতে কৌশলী নেতৃত্বের জন্য বহুবার ‘চাণক্য’ উপাধি পেয়েছেন অমিত শাহ। তাঁর রাজনৈতিক কৌশল বহুক্ষেত্রেই বিরোধীদের কোণঠাসা করেছে—এমন মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।যদিও বিরোধী শিবির, বিশেষ করে কংগ্রেস, এতদিন এই তুলনাকে মানতে চায়নি। তবে সেই অবস্থানে যেন খানিক বদল দেখা গেল। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী প্রকাশ্যেই শাহের রাজনৈতিক কৌশলের প্রশংসা করেন।লোকসভায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “আপনার কূট চাল দেখলে চাণক্যও লজ্জা পাবেন।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

আসলে এই মুহূর্তে সংসদে মহিলা সংরক্ষণ আইন নিয়ে বিতর্ক চলছে। বৃহস্পতিবার লোকসভায় কংগ্রেসের তরফে মহিলা সংরক্ষণ আইনের সংশোধনী এবং প্রস্তাবিত আসন পুনর্বিন্যাস আইনের বিরোধিতার প্রথম সারির বক্তা ছিলেন গান্ধী পরিবারের কনিষ্ঠতম সদস্য। শুরুতেই তিনি বলেন, “এই মহিলা সংরক্ষণ বিলের আড়ালে যেভাবে আসন পুনর্বিন্যাস বিলটি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তাতে গণতন্ত্র শেষ হয়ে যাবে।”

প্রিয়াঙ্কার ওই মন্তব্য শুনে হাসতে শুরু করে দেন অমিত শাহ নিজেই। যা দেখে প্রিয়াঙ্কা কটাক্ষের সুরে বলে ওঠেন, “গৃহমন্ত্রীজি হাসছেন। আজ যদি চাণক্য বেঁচে থাকতেন, আপনাকে দেখে তিনিও চমকে যেতেন। সব পরিকল্পনা নিজেই করে রেখেছেন। উনি হাসছেন মানেই আমার কথার সঙ্গে উনিও একমত।” এরপর সমস্বরে হাসতে শুরু করেন শাসক বিরোধী দুই শিবিরের সাংসদরাই।

আসলে ২০২৩ সালেই সংবিধান সংশোধন করে দেশের সব আইনসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের আইন পাশ করায় মোদি সরকার। সেবার বিরোধীরাও ওই বিলটিকে সমর্থন করে। বিলে উল্লেখিত ছিল, মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। সেখানে আরও বলা হয়েছিল, জনগণনার পরে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। তারপর ওই আসনের ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রাখা হবে মহিলাদের জন্য। যেহেতু ২০১১ সালের পর আর কোনও জনগণনা হয়নি, তাই ওই আইন আর কার্যকর হয়নি। এখন নরেন্দ্র মোদি সরকার ফের সংবিধান সংশোধন করে নতুন জনগণনার ব্যাপারটি তুলে দিতে চাইছে। সরকার চাইছে ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে অথবা বর্তমান আসনের আনুপাতিক হারে আসন পুনর্বিন্যাস করে দিতে। শুধু তাই নয়, এরপর কবে আসন পুনর্বিন্যাস হবে, সেটা কীসের ভিত্তিতে হবে সবটাকেই সরকারের হাতে করে নিতে চাইছে মোদি সরকার। নতুন আইন পাশ হলে আর সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন পড়বে না। তাতেই তীব্র আপত্তি বিরোধীদের। সেই নিয়ে বিতর্ক চলছে। বেনজিরভাবে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত সংসদে বিতর্ক চলেছে।

You might also like!