Country

1 hour ago

PM Narendra Modi: ‘বিরোধিতায় মাশুল’—মহিলা সংরক্ষণ বিলে সমর্থন চাইতে কড়া বার্তা মোদির

PM Modi speaks in Lok Sabha
PM Modi speaks in Lok Sabha

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: সংসদে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’—মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংশোধনী বিল—পাশ করাতে সর্বদলীয় সমর্থনের আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই বিলকে ‘বিকশিত ভারতের ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেন।

বিলের বিরোধিতার প্রসঙ্গে কড়া সুরে মোদি বলেন, “এই বিলের বিরোধিতা করলে দেশের মহিলারা ক্ষমা করবেন না।” তাঁর আরও মন্তব্য, এই বিলের বিরোধিতা করা মানে মহিলাদের স্বার্থের বিরোধিতা করা। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য ঘিরে সংসদে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিরোধী দলগুলির অবস্থান নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। 

মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী বিল নিয়ে কংগ্রেসকেই মূলত নিশানা করেছেন মোদি। পঞ্চায়েত স্তরে কংগ্রেস মহিলা জনপ্রতিনিধিদের সংখ্যা বৃদ্ধি করেছিল, তা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, তাহলে এখন কেন সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর বিলে বিরোধিতা? সেইসঙ্গে হুঁশিয়ারির সুরেই তিনি বলেন, ‘‘এখন এই বিলের বিরোধিতা করলে তার মাশুল গুনতে হবে বহুদিন।” বৃহস্পতিবার লোকসভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালীন কিছুটা হইহট্টগোল করেন বিরোধীরা। তা উপেক্ষা করেই মোদি নিজের বক্তব্য পেশ করেন। 

এদিন লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুরুতেই বিলের উপযোগিতা বিশদে ব্যাখ্যা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, সংশোধন সর্বদা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বাড়ায়। বিকশিত ভারত মানে শুধু দেশের পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়। নারীদের আরও বেশি প্রতিনিধিত্ব প্রয়োজন, তাঁদের ক্ষমতাবৃদ্ধি প্রয়োজন। এই বিল সেই দিশা দেখিয়েছে। সবাই মিলে বিলটি পাশ করার জন্য আবেদন জানান তিনি। মোদির এই বক্তব্যের মাঝে বিরোধীরা চেঁচামেচি শুরু করেন। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তোলেন, পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে রাজনৈতিক উদ্দেশে এই বিল পাশে তোড়জোড় মোদি সরকারের। তাতে কিছুটা বিদ্রুপ মিশিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জবাব, ‘‘এর মধ্যে রাজনীতি দেখছেন আপনারা? বিরোধিতা করুন চাইলে, তাতেও আমারই সুবিধা হবে। আর সবাই মিলে যদি সমর্থন করেন, তাহলে সুবিধা পাবেন আপনারা সবাই।” তাঁর আরও বক্তব্য, ‘‘বিরোধিতা করবেন না, বরং বোনেদের কাজে ভরসা রাখুন। অন্তত ৩৩ শতাংশ মহিলাকে জনপ্রতিনিধিত্বের সুযোগ দিন।” 

You might also like!