
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ ইডি-র নজরে এবার প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর স্ত্রী। প্রাক্তন মন্ত্রী তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদের স্ত্রী লুইস খুরশিদের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ উঠেছে। তিনি সরকারি তহবিলের লক্ষ-লক্ষ টাকা নয়-ছয় করেছেন বলে অভিযোগ। ঘটনার তদন্তে নেমেছে ইডি। আর তদন্তে নেমেই লুইস খুরশিদের ৪৫ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।
ইডি জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের ফারুকাবাদের ড. জাকির হুসেন মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গ্রান্ট-ইন-এইড পেয়েছিল ৭১.৫ লাখের। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদনের সেই টাকায় ক্যাম্প করা নিয়ে পরও তা সঠিক জায়গায় ব্যবহার হয়নি। এমনকী ওই ফান্ডের টাকা নয়ছয় করেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে ট্রাস্টের সদস্য প্রত্যুষ শুক্লা, ট্রাস্টের সেক্রেটারি মহম্মদ আথার, ট্রাস্টের প্রজেক্ট ডিরেক্টর লুইস খুরশিদের বিরুদ্ধে। ইডির দাবি, ওই ট্রাস্টের টাকা সঠিক কাজে ব্যবহার না করে নিজেদের ব্যক্তিগত কাজে লাগিয়েছিলেন লুইস ও অন্যরা।
কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সির আরও অভিযোগ, ফারুকাবাদের ২৯.৫১ লাখের অস্থাবর সম্পত্তি ‘অ্যাটাচ’ করা হয়েছে। সেই সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে ড. জাকির হুসেন মেমোরিয়াল ট্রাস্টের আওতাধীন চাষের জমি। কেন্দ্রীয় এজেন্সি জানিয়েছে, ২০০২ প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের আওতায় এই অস্থাবর সম্পত্তি অ্যাটাচ করা হয়েছে। তাছাড়া আরও চারটি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট অ্যাটাচ করা হয়েছে।
ইডি-র এক কর্তা জানিয়েছেন, অ্যাটাচ করা মানেই তা বাজেয়াপ্ত করা নয়। এটি বাজেয়াপ্ত করার প্রথম ধাপ। ইডি কোনও মামলায় কোনও সম্পত্তি অ্যাটাচ করার পরে তা দিল্লিতে নিজেদের আইনি দফতরকে পাঠায়। আইনি দফতর সব খতিয়ে দেখে সবুজ সঙ্কেত দিলে তবে তা বাজেয়াপ্ত বা ‘ক্রোক’ করা হয়। ইডি জানিয়েছে, যে চারটি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট অ্যাটাচ করা হয়েছে সেখানে টাকা ছিল প্রায় ১৬ লক্ষ। অভিযোগ মূলত ছিল ট্রাস্টের প্রতিনিধি প্রত্যুষ শুক্লার বিরুদ্ধে। কিন্তু এর পরে রাজ্য পুলিশের কাছে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে ১৭টি এফআইআর দায়ের হয় যা নিয়ে তদন্ত করতে গিয়েই লুইস-সহ অন্যান্যদের নাম উঠে আসে।
