kolkata

1 hour ago

Mamata Banerjee: ৪% ডিএ ঘোষণা বাজেটে! কবে মিলবে টাকা, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

Mamata Banerjee
Mamata Banerjee

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: গত ফেব্রুয়ারিতে রাজ্য বাজেটে সরকারি কর্মীদের জন্য ৪ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) ঘোষণা করা হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের তরফে। তবে দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও সেই বর্ধিত ডিএ কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ উঠছে কর্মী মহলে। এই বিষয়টি নিয়ে বুধবার নির্বাচনী সভা থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগের আঙুল তোলেন নির্বাচন কমিশন-এর দিকেও। একই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন, চলতি মাসের বেতনের সঙ্গেই সরকারি কর্মীরা ৪ শতাংশ ডিএ পাবেন বলে সরকার নিশ্চিত পদক্ষেপ নিচ্ছে। 

রাত পোহালেই প্রথম দফার নির্বাচন। এখন দ্বিতীয় দফার জন্য ঝোড়ো প্রচার চালাচ্ছে সব দল। বুধবার একাধিক সভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের একাধিক প্রকল্পের কথা সকলের সামনে তুলে ধরেন তিনি। শিক্ষিত বেকারদের চাকরি খুঁজে দেওয়ার আশ্বাস দেন। সেখানেই ওঠে ডিএ প্রসঙ্গ। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি বাজেটে সরকারি কর্মীদের চার শতাংশ ডিএ ঘোষণা করেছিলাম। এখন আমি ভোটের কাজে ব্যস্ত। আমাকে না জানিয়েই ফাইনান্স সেক্রেটারি কাগজপত্র ইলেকশন কমিশনের কাছে পাঠিয়েছেন। আর কমিশন চেপে রেখেছে। নাহলে অনেক আগেই আপনারা এই টাকাটা পেতেন।” 

অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, কমিশনের কারণেই এখনও পর্যন্ত ঘোষণা হওয়া ৪ শতাংশ ডিএ পাননি কেউ। এরপরই তিনি জানান, চিন্তার কোনও কারণ নেই, এমাসেই ৪ শতাংশ ডিএ পাবেন সকল সরকারি কর্মীরা। উল্লেখ্য, বকেয়া ডিএ নিয়ে এখনও মামলা ঝুলে সুপ্রিম কোর্টে। আদালতের নির্দেশ মেনে সরকারি কর্মীরা বকেয়ার একটা অংশ পেয়েছেন। তবে বাকি বকেয়ার কী হবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছেই। এদিকে সরকারি কর্মীরা পেলেও সরকার পোষিত সংস্থার কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তরা এখনও বকেয়া ডিএ-র কোনও অংশই পাননি বলে খবর।  

‘‘সকাল থেকে পাগল হয়ে গেছি ফোনে-মেসেজে। শ্রীজাতকে নাকি ফোন করেছে কেউ, ‘আপনার বাড়িতে পুলিশ যাচ্ছে। আপনাকে গ্রেফতার করা হবে। আমি সঙ্গে সঙ্গে তাকে ফোন করলাম। এ আবার কী! বাইক চলবে না। রেল বন্ধ। এগুলো ইলেকশন কমিশন করছে। বাইরে থেকে তো এখানকার লোক ভোট দিতে আসছে। তাঁদের ভোট দিতে দেবেন না?’’

‘‘আমরা দুরন্ত খেলা খেলি। আমাদের হারানো সহজ নয়।’’ আমডাঙা থেকে বিজেপিকে নিশানা মমতার।

‘‘কাল রাত থেকে কোলাঘাটে কেউ যেতে পারছে না। কাল থেকে বাবু, গদ্দার বাবু, পিরিতের বাবু, দোসর কোলাঘাট থেকে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে যাতে কেউ যেতে না-পারে। আবার পশ্চিম মেদিনীপুরে রেল ব্লক করে দিয়েছে। রাস্তা ব্লক করে দিয়েছে। ভেবেছে দু’দিনের জমিদারি করবে। তবে আগামী দিনে জমিদারি করতে পারবে না। সকলে দল বেঁধে ভোট দিতে যাবেন।’’

‘‘এ বারের ভোট দেখছেন তো? আমার কেন্দ্রের কথা ভাবুন। কালকে আমি একটা মিটিং চেয়েছিলাম। কলিন্স লেনে একটা ছোট্ট গলি আছে। আমি তো জৈনদের সব মন্দিরে গেছি। হিন্দুদের সব মন্দিরে যাই। আমাকে বলল, পারমিশন নেই। আমি বললাম, তাই? আমি তো চা খেতে যেতে পারি। গিয়ে চা খেয়ে এলাম। তুমি ঢাল-তরোয়াল নেমেছো। এ বার দেখবে আম যাবে, ছালাও যাবে।’’

‘‘যাঁদের কাল ভোট আছে, তাঁরা দেখে নিন সাপ্লিমেন্টরি লিস্ট। আপনারা রিটার্নিং অফিসারের থেকে তালিকা নিয়ে নিন। যাঁদের ভোট কেটে গিয়েছে। জেনুইন নাম— আমি সবার নাম তুলে দেব। রাজস্থান, বিহার থেকে ট্রেনে করে এসে ভোট দেবে? এ বার আটকে রাখবেন। মায়েদের দায়িত্ব দিলাম। পালাতে দেবেন না, যাঁরা ফলস্ ভোট দিয়ে পালানোর চেষ্টা করবে।’’

‘‘ইভিএম মেশিন খারাপ করে দেবে। অনেক লাইন জীবনে দিয়েছেন। একটু অপেক্ষা করবেন। নতুন মেশিনে ভোট দেবেন। চিপ ঢুকিয়ে রেখে দেবে।’’ 


You might also like!