
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ভারতরত্ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে দিনদুয়েক আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছিল এনসিপিআই। সেই চিঠিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছিল জল্পনা। তবে এবার দলের অবস্থান থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিলেন তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইতে যোগ দেওয়া সাংসদ ইউসুফ পাঠান। এক্স হ্যান্ডেলে ইউসুফ স্পষ্ট জানিয়েছেন, জ্ঞানেশ কুমারকে ভারতরত্ন দেওয়ার জন্য তিনি কোনও দাবি জানাননি। বরং দেশের বহু মানুষ ভোটাধিকার নিয়ে আন্দোলন করছেন বলে উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে জ্ঞানেশ কুমারের জন্য ভারতরত্নের আবেদন করা যায়? তাঁর এই মন্তব্যের পর এনসিপিআইয়ের ওই চিঠি ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।
এসআইআর নিয়ে ‘কাঠগড়ায়’ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনি বাকি নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিকে পাত্তা দেননি। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের তদন্তমূলক প্রতিবেদন এমনটাই দাবি করা হয়েছে। তারপরেই দেশজুড়ে সুর চড়িয়েছেন বিরোধীরা। কংগ্রেস-সহ রাজনৈতিক দলগুলো জ্ঞানেশের ইস্তফা চাইছে। এই বিতর্কের আবহেই মোদিকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল এনসিপিআইয়ের তরফে। আবেদন, জ্ঞানেশ কুমারকে যেন ভারতরত্ন দেওয়া হয়। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অসামান্য় অবদানের জন্য দেশের সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হোক তাঁকে।
তারপর থেকেই প্রশ্ন ওঠে, তৃণমূল ছেড়ে যেসব সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছেন তাঁরাও কি এই আবেদন জানিয়েছেন? সেই প্রশ্নের জবাবে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন ইউসুফ পাঠান। তাঁর কথায়, ‘মুর্শিদাবাদ, বহরমপুর-সহ বাংলা এবং দেশের মানুষ সরব হচ্ছেন ভোটাধিকার চেয়ে। এই সময় কী করে আমি এই পুরস্কার দেওয়ার দাবি জানাতে পারি? এমন কোনও চিঠি লিখিনি আমি। যারা আমার নামে এসব খবর ছড়াচ্ছে, তাদের বলব আমাকে চিঠির কপি এনে দেখান। বর্তমান পরিস্থিতিতে গুজব নয়, সত্য প্রকাশ করুন আপনারা।’
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই তৃণমূলের ২০ জন সাংসদ যোগ দেন এনসিপিআইতে। তাঁদের সাংসদ পদ নিয়ে এখনও চলছে টানাপোড়েন। এনডিএর শরিক হিসাবেই আপাতত কাজ করছে এনসিপিআই। এহেন পরিস্থিতিতে জ্ঞানেশকে ভারতরত্ন দিতে চেয়ে চিঠি লেখেন এনসিপিআই প্রেসিডেন্ট জ্যোতিপ্রকাশ চট্টোপাধ্যায়। সেটার বিরোধিতা করলেন ইউসুফ। তাহলে কি তারকা সাংসদ আর থাকছেন না দলে? তিনি কি তৃণমূলে ফিরবেন?
Bengal, Murshidabad, Baharampur aur desh ke log apne vote ke adhikaar ke liye awaaz utha rahe hain. Aise waqt mein kya main kisi award ki sifarish karunga? Maine aisa koi patra nahi likha. Mere naam se kahaniyan gadhne walon se sirf itna kehna hai agar patra hai, toh copy public kijiye. Saboot dikhaiye, warna ise fake aur mere naam ka galat istemaal samjhiye. Aaj zaroorat afwaah ki nahi, sach aur janta ke haq ki awaaz ki hai.
— Yusuf Pathan (@iamyusufpathan) October 1, 2026
