Breaking News
 
Taslima Nasrin: দু'দশক পর কলকাতায় তসলিমা! সাদা-লালপাড় শাড়িতে আবেগঘন প্রত্যাবর্তন Militant Arrested in Bardhaman: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে নিশানা? বর্ধমানে এসটিএফের জালে সন্দেহভাজন জইশ জঙ্গি Birbhum Gold and Cash Recovery: মিনারের বাড়িতে সাড়ে ২৮ কোটি ও সোনা উদ্ধারের নেপথ্যে টুলু? ডিসিআর কারবারে রাজস্ব ক্ষতির অভিযোগে তদন্ত অব্যাহত CM Suvendu Adhikari: প্রথমবার বড়া খানায় মুখ্যমন্ত্রী, পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে দিলেন আস্থার বার্তা Rashtrapati Bhavan: ১ ও ৮ আগস্ট 'চেঞ্জ অফ দ্য গার্ড' অনুষ্ঠিত হবে না রাষ্ট্রপতি ভবনে Mamata Banerjee: তৃণমূল কংগ্রেস সংক্রান্ত বিবাদে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিক নির্বাচন কমিশন, বিরোধী গোষ্ঠীকে আর সময় দেওয়া উচিত নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

 

West Bengal

2 years ago

Lok Sabha Election 2024:ফের গুলি চলল শীতলখুচিতে,তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানকে লক্ষ্য করে গুলি

Firing continued again in Shitalkhuchi, targeting Trinamool panchayat chief
Firing continued again in Shitalkhuchi, targeting Trinamool panchayat chief

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃআবার গুলি চলার ঘটনা ঘটল কোচবিহারের শীতলখুচিতে। এবার গুলিবিদ্ধ হলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান। এই ঘটনায় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জড়িত বলে অভিযোগ করেছে শাসক শিবির। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তৃণমূলের ওই নেতার ওপর হামলা করা হয় বলেই দাবি করা হয়েছে।  তৃণমূলের তরফে এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছে বিজেপি।

কোচবিহারের শীতলখুচি ব্লকের লালবাজারের পঞ্চায়েত প্রধান অনিমেষ রায়। বৃহস্পতিবার রাতে লালবাজার চৌপতিতে সাংগঠনিক মিটিং সেরে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। তখনই দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। প্রধানকে উদ্ধার করে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় শীতলখুচি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সেখান থেকে কোচবিহারের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে। আপাতত সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন।

কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তা এখনও চিহ্নিত করা যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে শীতলখুচি থানার পুলিশ। শুক্রবার সকালে গুলিবিদ্ধ প্রধানকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন কোচবিহার জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি আব্দুল জলিল আহমেদ। তিনি হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে জানান, প্রধানের শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল। বিপদ কেটে গিয়েছে। তবে এই ঘটনার নেপথ্যে বিজেপির হাত থাকতে পারে বলে মনে করছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘উনি রাতে লালবাজার এলাকায় নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। রাতের অন্ধকারে বিজেপির মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীরা ওঁকে গুলি করেছে। হাঁটুতে গুলি লেগেছে। এখন তিনি ভাল আছেন। যে বা যারা এই কাজ করেছে, সে বা তাদের খুঁজে বের করতে আমরা পুলিশের কাছে তদন্তের আবেদন জানাচ্ছি। আশা করছি, পুলিশ এটা দেখবে। আমরা এর একটা বিহিত চাই। ওই এলাকায় বিজেপির দুষ্কৃতী বেড়ে গিয়েছে। আমার মনে হয়, তারাই এই ঘটনায় জড়িত।’’

তৃণমূলের অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছে বিজেপি। দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক বিরাজ বোস এ প্রসঙ্গে বলেন, দলের জন্মলগ্ন থেকেই গোষ্ঠীকোন্দলে জর্জরিত তৃণমূল। এখানেও গোষ্ঠীকোন্দল। ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে মূলত এই ঝামেলাগুলি হয়। সেটা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ওরা বিজেপির উপর দোষ চাপাচ্ছে। কারণ, আমাদের সামনে তো ওরা বলছে না। পুলিশ তদন্ত করলেই আসল সত্যি বেরিয়ে আসবে। এখানে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। তার পর এই ধরনের ঘটনা কাম্য নয়। আমার মনে হচ্ছে, এমন আরও হবে। ওরা নিজেদের সামলাক। বিজেপির দিকে আঙুল না তোলাই ভাল।’’

২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে শীতলখুচিতে গুলি চলেছিল। ভোটের দিন শীতলখুচির ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে গুলিতে মৃত্যু হয় চার জন গ্রামবাসীর। বুথের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে তরজা চলে। সেই শীতলখুচিতেই আবার গুলি চলল। এ বার অবশ্য ভোট মিটে গিয়েছে সেখানে। কোচবিহার কেন্দ্রে ভোট ছিল গত ১৯ এপ্রিল, লোকসভার প্রথম দফাতেই।


You might also like!