Breaking News
 
Jitendra Tiwari: পাণ্ডবেশ্বরে বিনিয়োগের ঢল? প্রথম দিনেই ১ হাজার কোটি, ‘কর্মসংস্থান বাড়বে’, দাবি বিধায়কের Calcutta High Court Former Judge: বেহাল রাস্তার জেরে নিত্য যাতায়াতে সমস্যা, ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি UP Rajya Sabha Polls: রিলায়েন্সের শীর্ষকর্তাকেই প্রার্থী! রাজ্যসভা ভোটে অখিলেশের বড় চমক, উত্তরপ্রদেশে নতুন সমীকরণ TMC Faction's Plea Dismissed: ‘সুপ্রিম’ ধাক্কা কালীঘাট তৃণমূলের, ৪ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজই, বহাল হাই কোর্টের নির্দেশ Dilip Ghosh: ‘ক্ষমতার অপব্যবহার করলে ফল পেতেই হবে’, অনুব্রতকে ঘিরে মন্তব্য দিলীপের PM Modi Hails Pilot: ‘৯/১১-র কায়দায় হামলা রুখেছে ভারতীয়’, বীর পাইলট স্মিত মচ্ছারের প্রশংসায় মোদি

 

kolkata

1 year ago

WB Assembly News : হইচই বিধানসভায়! মার্শালের ধাক্কায় মাটিতে শঙ্কর ঘোষ, সাসপেন্ড চার বিজেপি বিধায়ক

Privilege motion moved, 4 BJP MLAs including chief whip suspended after ruckus
Privilege motion moved, 4 BJP MLAs including chief whip suspended after ruckus

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  আবার উত্তাল রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন কক্ষ।বিধানসভায় ৪ বিজেপি বিধায়ক সাসপেন্ডেড। সোমবার বিক্ষোভ দেখিয়ে সাসপেন্ড হলেন বিজেপির চার বিধায়ক — অগ্নিমিত্রা পাল, দীপক বর্মন, মনোজ ওঁরাও এবং শঙ্কর ঘোষ। তাঁদের বার করে দেওয়ার জন্য মার্শাল ডাকেল স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। রীতিমতো মার্শাল ডেকে তাঁদের অধিবেশন কক্ষের বাইরে বের করে দেওয়া হয়। বাইরে বেরিয়ে ফের অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তাঁরা। কেউ কেউ বিধানসভার নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে হাতাহাতিতেও জড়িয়ে পড়েন। এসব অশান্তির মধ্যে বিল নিয়ে আলোচনার শুরুর নির্দেশে দেন স্পিকার। 

এদিন বিজেপি বিধায়কদের মার্শাল ডেকে বের করায় বিশৃঙ্খলা আরও বাড়ে। যদিও সাসপেন্ড হওয়ার পর অগ্নিমিত্রা পল, দীপক বর্মন নিজেরাই বেরিয়ে গিয়েছিলেন। এরপর পরিস্থিতি আরও চরমে ওঠে। অভিযোগ, বিজেপি বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায় মার্শালের কলার ধরে ধাক্কা দেন। আরেক বিধায়ক মিহির গোস্বামীও চেপে ধরেন মার্শালকে। নিরাপত্তারক্ষীরা পালটা বলপ্রয়োগ করে সবাইকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তারপরও অবশ্য বেশ কয়েকজন অধিবেশনে ছিলেন। তাঁরা ওয়েলে নেমে স্লোগান তুলতে থাকেন। এদিন প্রশ্নোত্তর পর্ব হওয়ার কথা থাকলেও তা বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে অধিবেশনে নেতাজি সুভাষ ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বিল নিয়ে আলোচনা শুরু হয় স্পিকারের নির্দেশে। সেসময় অধিবেশন বয়কট করে বিজেপি।

এরপর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী হাতে কিছু নিয়ে একাই অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন। স্পিকারকে টুকরো কিছু দেখান। তাতে আলোচনা থেমে যায়। ক্ষুব্ধ স্পিকার স্পষ্ট বিরোধী দলনেতাকে বলেন, ”এইভাবে আপনি সভার কাজ বন্ধ করতে পারেন না।” শুভেন্দু দাবি করেন, বাইরে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্রর ঘড়ি ছিঁড়ে টুকরো হয়েছে, ভেঙে গিয়েছে শংকর ঘোষের চশমাও। স্পিকার বলেন, ”এসব বাইরে গিয়ে প্রেসকে দেখান। এটা পাড়ার রক না। বাইরে গিয়ে বলুন।”

তারপরও বিরোধী দলনেতা দাঁড়িয়েছিলেন স্পিকারের টেবিলের সামনেই। সেসময় উলটোদিকের বেঞ্চ থেকে অরূপ বিশ্বাস, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, সুজিত বসুরা অভিযোগ করেন, বিজেপি তাঁদের ডেস্ক ভেঙে দিয়েছে। স্পিকার তা শুনে স্পষ্ট জানান, যারা একাজ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে। এরপর তিনি নির্দেশ দেন, বিধানসভার মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়ার। বলেন, ”এটা তামাশার জায়গা নয়।” সেইসঙ্গে স্পিকার এও বলেন, ”স্পিকার শেষে বলেন বিজেপির তরফেও অভিযোগ যা যা এসেছে সেগুলো তদন্ত করে সিদ্ধান্ত জানাব।”

You might also like!