
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: অষ্টমীর সকাল মানেই পছন্দের শাড়িতে সেজে পুজোমণ্ডপে হাজির হওয়া। প্রিয়জনদের সঙ্গে অঞ্জলি দেওয়া, তারপর এক মণ্ডপ থেকে অন্য মণ্ডপে ঘুরে বেড়ানো—পুজোর দিনের আনন্দই যেন আলাদা। তবে শাড়িতে নিখুঁত লুক পেতে কম পরিশ্রম করতে হয় না। শাড়ি পরার সামান্য ভুলেই মাটি হতে পারে বহুদিন ধরে পরিকল্পনা করে রাখা ড্রিম লুক। তাই সকলেই চান, শাড়িতে যেন তাঁদের আরও ছিমছাম ও লম্বাটে দেখায়। খুব কঠিন কিছু নয়, কয়েকটি সহজ টিপস মাথায় রাখলেই অষ্টমীর সকালে শাড়িতে হয়ে উঠতে পারেন আরও আকর্ষণীয় ও তন্বী।
∆ কেমন শাড়ি? বাছুন বুঝে— স্টাইলিং ঠিকমতো হওয়ার জন্য সবার আগে জরুরি সঠিক শাড়ি বেছে নেওয়া। প্রথমেই যদি খুব ভারী শাড়ি পরতে যান, তবে তা গায়ে সঠিকভাবে না বসাই স্বাভাবিক। তাই জর্জেট, শিফন, ক্রেপের মতো হালকা ও ফ্লুইড ফ্যাব্রিক বেছে নিন। শরীরের সঙ্গে সুন্দরভাবে বসে যায় এইসব শাড়ি। তাছাড়া গরমেও কষ্ট হয় না এমন শাড়িতে।
∆ কুঁচি হোক সরু ও গোছানো— শাড়ির সামনের কুঁচি যতটা সম্ভব সমান এবং পরিপাটি রাখুন। খুব চওড়া কুঁচি করলে, তা কোমরে গোঁজার পর পেটের কাছের অংশ ফোলা দেখতে লাগে। ফলে মানুষটিকেও উচ্চতায় খাটো ও স্থূলকায় বলে মনে হতে পারে।
∆ আঁচলে নজর দিন— আঁচল কীভাবে নিচ্ছেন, তার উপরেও অনেকটা নির্ভর করে শাড়ির সামগ্রিক লুক। সুঠাম লুক চাইলে আঁচল খুব বেশি ছড়িয়ে না নেওয়াই ভালো। সরু প্লিট করলে অনেক বেশি গোছানো দেখতে লাগে সামগ্রিকভাবে। তবে সামলাতে পারলে আঁচল ছড়িয়ে নেওয়াই যায়। সেক্ষেত্রে কাঁধের কাছে পিন লাগানো অত্যন্ত জরুরি।
∆ ব্লাউজের ফিট গুরুত্বপূর্ণ— ভাল ফিটিংয়ের ব্লাউজ শাড়ির গোটা লুককে অনেক বেশি গুছিয়ে তোলে। আপনার শরীরের সঙ্গে কোন ধরনের নেকলাইন মানানসই তা বোঝার চেষ্টা করুন। ব্লাউজের হাতা ঢিলে হলে দেখতে একেবারেই ভালো লাগে না। তাই নজর দিন সেদিকেও। পুজোর সাজে অতিরিক্ত কারুকাজে ভরা নয়, বরং ছিমছাম ব্লাউজই সবচাইতে বেশি নজর কাড়ে।
∆ রঙের দিকেও গুরুত্ব দিন— অনেকেই মনে করেন, শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজের রঙ কনট্রাস্ট হলে তবেই সাজ খোলতাই হয়। আসলে কিন্তু এ ধারণা ভুল। মানানসই হওয়ার জন্য বিপরীত রঙ হওয়া জরুরি নয়। খুব বেশি কনট্রাস্ট হলে অনেক সময়েই শাড়ি, ব্লাউজ কোনওটির দিকেই ঠিকমতো নজর যায় না।
এই কয়েকটা ছোট্ট বিষয় মাথায় রাখলেই সাজ হয়ে উঠবে সুন্দর, ভরাট। সুন্দর অভিজাত শাড়ি লুকে আপনার অষ্টমীর সকাল হয়ে উঠুক আনন্দে ভরা।
