Breaking News
 
RG Kar case : আর জি কর মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল ও আরও ২ পুলিশ আধিকারিক Mamata Banerjee And suvendu Adhikari:‘খতিয়ে দেখা হবে’,আর জি কর মামলায় মমতাকেও তদন্তের আওতায় আনার ইঙ্গিত শুভেন্দুর Suvendu Adhikari :জেলের ভিতরে স্মার্টফোন কাণ্ডে তোলপাড়, প্রেসিডেন্সির সুপার সাসপেন্ড, ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙার বার্তা WB budget session :১৮ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন, জনমুখী প্রকল্পে বড় ঘোষণার জল্পনা তুঙ্গে Rahul Gandhi’s foreign trips :বিদেশ সফর নিয়ে রাহুলকে আক্রমণ বিজেপির, কংগ্রেসের দাবি ‘আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা’ Janatar Darbar :যোগী মডেলে বাংলায় ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

kolkata

1 year ago

SSC recruitment scam: তিন মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্ভব নয়, দাবি এসএসসি চেয়ারম্যানের

SSC Chairman Siddharth Majumdar
SSC Chairman Siddharth Majumdar

 

কলকাতা, ৪ এপ্রিল : তিন মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্ভব নয়। শুক্রবার এসএসসির চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার সাংবাদিক সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন। এই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ‘‘তিন মাসের কথা সুপ্রিম কোর্টের রায়ে উল্লেখ নেই। এটা একটা বড় প্রক্রিয়া।” ২০১৬ সালের এসএসসি-র নিয়োগে অনিয়মের দায়ে বিপুল কর্মচ্যুতি প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে সাংবাদিকদের বলেন, “যাঁদের বাতিল করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ১১৬১০ জন নবম-দশম শ্রেণিতে পড়াতেন। ৫৫৯৬ জন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়াতেন। বাকিরা অন্য ক্লাসে।ওরা বলেছে তিন মাসের মধ্যে প্রসেস করতে, আমরা করে দেব। আমরা চাই এটা তাড়াতাড়ি হয়ে যাক।”কেন তিন মাসে এই নিয়োগ সম্ভব নয়, তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সিদ্ধার্থ মজুমদার শুক্রবার বলেন, ‘‘পরীক্ষায় বসার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন ২৬ লক্ষ প্রার্থী। পরীক্ষায় বসেন প্রায় ২২ লক্ষ। এঁদের মধ্যে নবম-দশমের এক লক্ষ ৪১ হাজার এবং একাদশ-দ্বাদশের দেড় লক্ষ প্রার্থী রয়েছেন। তাই এত বড় নিয়োগ প্রক্রিয়া তিন মাসের মধ্যে সম্ভব নয়।’’

এই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে দ্রুত যাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া আমরা শুরু করি, সেই বার্তা সরকার থেকে এসেছে। দু’এক সপ্তাহের মধ্যে আমাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। তার জন্য আমরা প্রস্তুত। আইনজীবীর সঙ্গে, সরকারের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে।’’ সাংবাদিক বৈঠকে এসএসসির চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা আলোচনা করছি। আইনি পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।


You might also like!