
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যের ৭৮ জন পদকজয়ী ক্রীড়াবিদকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য সরকার। নিয়োগের আগে প্রার্থীদের তথ্য যাচাইয়ের জন্য ‘ভেরিফিকেশন রোল’ প্রকাশ করেছে নবান্ন। যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তরের সুপারিশের ভিত্তিতে এই ক্রীড়াবিদদের বিভিন্ন সরকারি পদে নিয়োগ করা হবে। তাঁদের মধ্যে কেউ সেকশন অফিসার, কেউ আপার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট, লোয়ার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট কিংবা গ্রুপ-ডি পদে কাজের সুযোগ পাবেন।
দপ্তরের ওয়েবসাইট থেকে ভেরিফিকেশন রোল ডাউনলোড করে দু’টি কপি পূরণ করতে হবে প্রার্থীদের। সঙ্গে দিতে হবে পদক জয়ের শংসাপত্র-সহ প্রয়োজনীয় নথির প্রতিলিপি। ফর্ম ও নথি সিল করা খামে ভরে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে ডাকযোগে পাঠাতে হবে অথবা নবান্নের সপ্তম তলার ৭০৩ নম্বর ঘরের ড্রপ-বক্সে জমা দিতে হবে। ইতিমধ্যে সরকারি চাকরিতে থাকা প্রার্থীদের তাঁদের বর্তমান নিয়োগকর্তা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বিষয়টি জানাতে হবে। এর আগে জাতীয় গেমসে বাংলার হয়ে পদকজয়ী ক্রীড়াবিদদের পুরস্কার বাবদ প্রাপ্য অর্থ মিটিয়েছে নবনির্বাচিত সরকার। এবার স্পোর্টস কোটায় আটকে থাকা চাকরিও দিতে পদক্ষেপ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৭৮ জন এমন ক্রীড়াবিদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ক্রীড়া দপ্তরের থেকে। যেখানে ২০২৫ সালে হওয়া শেষ সংস্করণ থেকে শুরু করে অতীতে পদক জেতা ক্রীড়াবিদরা ঠাঁই পেয়েছেন। গত তৃণমূল সরকার তো বটেই, তার আগের বাম আমলে জাতীয় গেমসে সফল হওয়া বেশ কয়েকজন ক্রীড়াবিদকে চাকরি দিচ্ছে বর্তমান সরকার। ২৯ আগস্ট জাতীয় ক্রীড়া দিবসে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী নিজে এই প্লেয়ারদের পুরস্কৃত করেছেন।
তৃণমূল আমলে শেষ এক দশক কার্যত বন্ধ ছিল স্পোর্টস কোটায় সরকারি চাকরি দেওয়ার বিষয়টি। তা ফের চালু করা প্রসঙ্গে রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খা বৃহস্পতিবার বলেছেন, “ক্রীড়াবিদরা যাতে খেলায় মন দিতে পারেন, তাই তাঁদের চাকরির দায়িত্ব সরকার নেবে। শুধু তাই নয়, গত এক-দেড় দশকে অনেকেই বাংলা ছেড়ে চলে গিয়েছেন। তাঁদের ফেরানোর পাশাপাশি নতুন করে কেউ যেন বাংলা ছেড়ে না যান সেটাও সরকার দেখবে।”
