Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

kolkata

2 months ago

21 July Shahid Diwas: ভাঙনের আবহে একুশের প্রস্তুতি, মঞ্চ সাজানোর দায়িত্বে এবার নতুন ডেকরেটর সংস্থায় ভরসা কালীঘাট তৃণমূলের

Kalighat Trinamool leadership preparing for the July 21 rally at Dharmatala
Kalighat Trinamool leadership preparing for the July 21 rally at Dharmatala

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ভাঙনের আবহে এবারের একুশে জুলাই পালন ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন জটিলতা। ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে শহিদ দিবসের কর্মসূচি করার জন্য কলকাতা পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল এবং ‘আসল’ তৃণমূল—দুই শিবিরই। এখন কার আবেদন মঞ্জুর হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। তবে অনুমতি নিয়ে টানাপোড়েন থাকলেও দুই পক্ষই নিজেদের মতো করে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। এর মধ্যেই কালীঘাট তৃণমূলের প্রস্তুতিতে দেখা গিয়েছে বড় পরিবর্তন। প্রতি বছর একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ, সাজসজ্জা এবং আয়োজনের দায়িত্বে যে ডেকরেটর সংস্থা দীর্ঘদিন কাজ করে এসেছে, এবার তাদের কাছে কোনও বরাত যায়নি বলে জানা গিয়েছে। পরিবর্তে নতুন একটি ডেকরেটর সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রবিবার সেই সংস্থার কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে দেখা যায় তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ এবং দোলা সেনকে। দলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির মধ্যেই একুশে জুলাইয়ের আয়োজন নিয়ে কালীঘাট শিবিরের এই বদল নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

মন্টু সাহার মালিকানাধীন মডার্ন ডেকরেটর্স গত ২ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের সমস্ত অনুষ্ঠানের দায়িত্বে ছিল। তার আগে অবশ্য অন্য একটি ডেকরেটর্স এই কাজ করত। কিন্তু ২০২৪ সালে লোকভবনের (তৎকালীন রাজভবন) সামনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ১০০ দিনের কাজের বকেয়া নিয়ে ধরনা মঞ্চ তৈরির সময় বৃষ্টির জল পড়া নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়। এরপরই বাতিল করা হয় ওই সংস্থাকে। তারপর দলীয় অনুষ্ঠানে মঞ্চ বাঁধা থেকে মাইকের ব্যবস্থা – সব করতেন মন্টু সাহার কর্মীরা। কিন্তু ছাব্বিশে আচমকাই তাতে বদল। সূত্রের খবর, এবার ২১ জুলাই মঞ্চ প্রস্তুতির জন্য মন্টু সাহার কাছে কোনও খবরই পাঠানো হয়নি। অর্থাৎ মডার্ন ডেকরেটর্স থেকে দূরত্ব বাড়াল কালীঘাট।  

রবিবার দেখা গেল, কুণাল ঘোষ, দোলা সেন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়রা ধর্মতলায় যেখানে ২১ জুলাইয়ের অনুষ্ঠান হয়, সেখানে গিয়েছেন। মাপজোক করার কাজ চলছিল। তবে সঙ্গে অন্য কর্মীরা। তাঁরাই মাপামাপি করছেন। এনিয়ে কালীঘাট তৃণমূল মুখে কুলুপ আঁটলেও ডেকরেটর্স মালিক মন্টু সাহার বক্তব্য, ‘‘২১ জুলাইয়ের মঞ্চ বানানো নিয়ে কালীঘাট থেকে কোনও নেতৃত্ব আমাকে কিছু জানায়নি। আমরা এবার ওই মঞ্চের কাজ করছি না।” সাধারণত জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রার পরে ২১ জুলাই অনুষ্ঠানস্থলের খুঁটি পুজো হয়ে থাকে। এবছর পুলিশ অনুমতি না দিলে সেই পুজো নিয়েও সংশয় থাকছে। 


You might also like!