
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: দূষণের জেরে দক্ষিণ কলকাতার ঐতিহ্যবাহী রবীন্দ্র সরোবরের জল নিয়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। সরোবরের জল দূষণমুক্ত করে তা পানযোগ্য করে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই বৃহস্পতিবার রবীন্দ্র সরোবর পরিদর্শনে যান তিনি। সরোবরের বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি জল পরিষ্কার ও সংরক্ষণ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের একাধিক নির্দেশও দেন অগ্নিমিত্রা।
রবীন্দ্র সরোবর পরিদর্শন করে একাধিক জায়গায় ঝোপঝাড় দেখেন মন্ত্রী। তা নিয়ে তীব্র উষ্মাপ্রকাশ করেন। রবীন্দ্র সরোবরের রাস্তাঘাট থেকে নিকাশির উন্নয়নের বার্তা দেন তিনি। এছাড়া রবীন্দ্র সরোবরের মাঝের দ্বীপটির সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থাপনার উদ্যোগও নেন মন্ত্রী। এদিন সরোবরের পাশাপাশি একাধিক রাস্তাঘাটও পরিদর্শন করেন। তিনি সাফ জানান, বাড়ির পাশাপাশি বাড়ির আশপাশের রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব আমজনতার। সকলে সচেতন না হলে কোনওভাবে স্বচ্ছ কলকাতা তৈরি করার ক্ষমতা কারও নেই বলেই মত অগ্নিমিত্রার। রাস্তাঘাট অপরিচ্ছন্ন থাকার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র রাজ্য সরকারকে দায়ী করা উচিত নয় বলেই মত মন্ত্রীর।
বলে রাখা ভালো, গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে পথঘাট নোংরা করলে জরিমানার ঘোষণা করেছেন অগ্নিমিত্রা পাল। রাস্তায় থুতু ফেলা, প্রস্রাব করলে ন্যূনতম ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে। শুধু থুতু ফেলা বা মলমূত্র ত্যাগ করাই নয়, রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে গাড়ি পার্কিং বা বাড়ি তৈরির সময়ে রাস্তার ধারে বালি, সিমেন্ট, স্টোনচিপসের মতো নির্মাণ সামগ্রী বা আবর্জনা ফেলে রাখলেও তা অপরাধ বলে বিবেচিত হবে। সেক্ষেত্রেও একই অর্থ জরিমানা আদায় করা হবে। এছাড়া ১২০ মাইক্রনের নিচে প্লাস্টিক ব্যাগ অর্থাৎ যাতে পরিবেশ দূষিত হয়, এমন ব্যাগ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও জরিমানা দিতে হবে। তবে এই জরিমানা নগদে নয়, নেওয়া হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। এবার রবীন্দ্র সরোবর নতুন রূপ দিতে কোমর বেঁধে নেমেছেন পুরমন্ত্রী।
