
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েক দিনের উৎসবের আবহ কাটিয়ে এবার গণপতিকে বিদায় জানানোর পালা। ফের এক বছরের অপেক্ষা। শুক্রবার রাতে স্ত্রী আলিয়া ভাট এবং মা নীতু কাপুরকে সঙ্গে নিয়ে গণপতি বিসর্জনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রণবীর কাপুরও। মুম্বইয়ের বিলাসবহুল বাসভবনের বাইরে প্রিয় তারকা দম্পতির এক ঝলক পেতে হাজির ছিলেন পাপারাজ্জিরাও। বিসর্জনের সময় ক্যামেরায় ধরা পড়ে রণবীরের ছলছল চোখ। পাশে ছিলেন মা নীতু কাপুর। তবে গোটা অনুষ্ঠানজুড়েই মেয়ে রাহা কাপুরকে আগলে রেখেছিলেন আলিয়া। মেয়েকে এক মুহূর্তের জন্যও কাছছাড়া করেননি অভিনেত্রী। এমনকী পাপারাজ্জিদের ক্যামেরার সামনে রাহার মুখও আসতে দেননি তিনি। আলিয়া ও রাহাকে ঘিরে সেই মুহূর্তের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন করে চর্চা।
গণেশোৎসবের পঞ্চম দিনে ঐতিহ্য মেনে গণেশ বিসর্জনের আয়োজন করেছিল কাপুর পরিবার। শুক্রবার রাতে নেটভুবনে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, বিসর্জনের প্রাক্কালে গণেশের মূর্তি হাতে আবাসন থেকে বেরচ্ছেন রণবীর কাপুর। পরনে গেরুয়া কুর্তা, সাদা পাজামা। পাশেই আরতির থালা হাতে নীতু কাপুর। খানিক পিছনে ট্র্যাডিশনাল পোশাকে স্নিগ্ধ আলিয়া। কোলে রাহা। কিন্তু সচেতনভাব মেয়ের মুখ ঢেকে রেখেছেন অভিনেত্রী। আসলে রাহার মুখ যেন ছবিশিকারীদের লেন্সবন্দি না হয়, সেকারণেই মেয়েকে নিয়ে আলিয়া ভাটের এত রাখঢাক। কিন্তু কেন?

আসলে পঁচিশ সালে রণবীরের জামাইবাবু সইফ আলি খানের উপর আততায়ীর হামলা হতেই মেয়েকে পাপারাজ্জিদের লেন্সের থেকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নেন আলিয়া। ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকেও রাহার সব ছবি সরিয়ে নেন। কারণ করিনাও তখন থেকেই ছবিশিকারীদের থেকে জেহ-তৈমুরকে আড়ালে রাখেন। সেকারণেই শুক্রবার গণপতি বিসর্জনের সময়ে খুদেকে বাবার কাছে ঘেঁষতে দেননি তিনি। কারণ বিসর্জনের রীতি-রেওয়াজ পালন করছিলেন রণবীর এবং নীতু। অতঃপর পাপারাজ্জিদের লেন্সের তাক যে বিশেষভাবে তাঁদের দিকেই থাকবে, তা বলাই বাহুল্য। তাই সর্বক্ষণ মেয়ের মুখ আড়াল করে রাখেন আলিয়া ভাট। অন্যদিকে বিসর্জনের পর ছবিশিকারিদের মিষ্টিও বিতরণ করতে দেখা যায় ‘রাম’ রণবীর কাপুরকে।
