Breaking News
 
WB New Airport : আকাশপথে বাংলার নতুন দিগন্ত! ৪ বিমানবন্দর চালুতে মউ স্বাক্ষর, কলকাতা-ইউরোপ সরাসরি বিমান চালানোর আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: পুজোর আগে ‘কল্পতরু’ শুভেন্দু! ১৪,৪৫৪ নিয়োগ থেকে কর্মবন্ধুদের ভাতা বৃদ্ধি, মমতার মেডিক্যাল রিপোর্ট ইস্যুতেও বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর Milan Pradhan: নন্দীগ্রাম ভোটের আগে বড় স্বস্তি, সুপ্রিম কোর্টে মিলন প্রধানের অন্তর্বর্তী জামিন বহাল Bank Fraud Case: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় বড় পদক্ষেপ, ওড়িশা থেকে কলকাতা, একাধিক জায়গায় ইডির হানা SIR row: এসআইআর নিয়ে জ্ঞানেশকে নোটিস শীর্ষ আদালতের, তবে সাসপেনশনের আবেদন খারিজ মঙ্গলবার উপনির্বাচন, তার আগেই নন্দীগ্রামের আইসি বদল! দায়িত্বে জেলার ট্রাফিক ইনচার্জ

 

Entertainment

3 weeks ago

Riteish Deshmukh: শূন্য পকেটে রেস্তরাঁ থেকে বেরিয়ে বিপাকে রীতেশ! একশো টাকা দিয়ে সাহায্যে সেলেব পাপারাজ্জির

Riteish Deshmukh shared a heartwarming moment with a photographer
Riteish Deshmukh shared a heartwarming moment with a photographer

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  মুম্বইয়ের একটি রেস্তরাঁ থেকে বেরিয়ে পকেটে হাত দিয়েই কার্যত বিপাকে পড়লেন রীতেশ দেশমুখ! একশো টাকাও ছিল না অভিনেতার কাছে। শুনতে অবাক লাগলেও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখিই হতে হয়েছিল তাঁকে। আর এই ঘটনার কথা নিজেই স্বীকার করেছেন রীতেশ। শেষ পর্যন্ত এক সেলেব পাপারাজ্জিই এগিয়ে এসে তাঁকে একশো টাকা দিয়ে সাহায্য করেন। সেই সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাতে ওই পাপারাজ্জির সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবিও তোলেন অভিনেতা।

তবে এই পুরো ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে এক অন্য কাহিনি। আসলে ডিজিটালাইজেশনের যুগে আজকাল বেশিরভাগ মানুষই নগদ টাকার পরিবর্তে অনলাইন পেমেন্টেই স্বচ্ছন্দ্য। রীতেশের ক্ষেত্রেও ব্যাপরাটা অনেকটা সেরকম।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে রীতেশ জানান, রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে একটি পথশিশু কিছু জিনিসপত্র বিক্রি করছিল। তাকে সাহায্যের জন্যই একটা জিনিস কেনার কথা ভাবছিলেন। কিন্তু, সেসময় পকেটে কোনও নগদ অর্থ ছিল না। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেখানে দেবদূতের মতো হাজির এক পাপারাজ্জি। তিনি রীতেশের মনের কথা বুঝে একশো টাকা দিয়ে সাহায্য করেন। এগিয়ে এসে বলেন, ‘ম্যায় দেতা হুঁ’। যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, আমি দিচ্ছি। রীতেশ অবশ্য শিশুটিকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তার কাছে অনলাইন পেমেন্টের কোনও সুবিধা আছে কিনা। 


স্মৃতিচারণ করে রীতেশ বলেন, “আমরা রেস্তরাঁ থেকে বেরিয়ে আসছিলাম। তখন একটি শিশু একশো টাকার কিছু একটা জিনিস বিক্রি করছিল। আজকাল আমরা এতটাই ক্যাশলেস হয়ে গিয়েছি যে আমার কাছেও টাকা ছিল না। এখন তো সবকিছুই ডিজিটাল, তাই আমি সঙ্গে টাকা রাখি না। একজন পাপারাজ্জি উদার মানসিকতার সঙ্গে এগিয়ে এসেছিলেন। তখন তাঁর নামও আমি জানতাম না। এখন জানি, সম্ভবত তাঁর নাম সুশীল মোহিতে। যদি আমি ভুল বলে থাকি তার জন্য খুবই দুঃখিত। তিনিই এগিয়ে এসে বলেছিলেন, ম্যায় দেতা হুঁ।”

এরপর রীতেশ তাঁর সঙ্গে একটি ছবি তোলেন এবং সেখান থেকে চলে যান। পরে তিনি স্ত্রী জেনেলিয়া ডি’সুজাকে পুরো ঘটনাটি জানান এবং মনে হয়, পাপারাজ্জির কাছ থেকে নেওয়া টাকাটা ফেরত দেওয়া উচিত। কিন্তু ওই পাপারাজ্জির সঙ্গে যোগাযোগের কোনও উপায়ই তাঁর জানা ছিল না। তাই রীতেশ ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে পুরো ঘটনাটি শেয়ার করেন যাতে ওই পাপারাজ্জিকে খুঁজে পাওয়া যায়। শেষ পর্যন্ত তিনি তাঁকে খুঁজে পান। যোগাযোগ করে ধার নেওয়া টাকা ফিরিয়ে দেন। রীতেশ বলেন, “ওই পাপারাজ্জি যেভাবে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছিলেন আমার হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছিল । আমরা অনেক সময় ভাবি, তাঁরা হয়তো শুধু আমাদের ছবি তুলতে চান। কিন্তু আমরা বুঝতে পারি না যে এমন অনেক মুহূর্তও আসে যখন তাঁরাই এগিয়ে এসে আমাদের সাহায্য করেন।” 


You might also like!