Breaking News
 
Durga Puja 2026: ৩০০০ ড্রোনে আকাশে ফুটবে দুর্গার আবাহন, মহালয়ায় ইডেনে বিশেষ চমক, সঙ্গে বিজয়া সম্মেলনী Seva Jyoti Yatra: ৭ অক্টোবর বাংলার সব জেলায় পদযাত্রা, জায়ান্ট স্ক্রিনে মোদির ভাষণ, ‘সেবা জ্যোতি’ কর্মসূচি বিজেপির Birbhum bomb blast: বোর্ড গঠন ঘিরে বীরভূমের বুধিগ্রামে বোমাবাজি, আতঙ্কে ছোটাছুটি, এলাকায় তীব্র উত্তেজনা Kolkata Heritage Tea Shops: শতাব্দীপ্রাচীন স্বাদের স্বীকৃতি! হেরিটেজ তালিকায় চিত্তবাবুর দোকান-সহ বাংলার ৮ প্রতিষ্ঠান Byelections 2026: বাগ্‌বিতণ্ডার পর গ্রেফতার হুমায়ুন কবীর, লাগাতার হুমকির অভিযোগে পুলিশি পদক্ষেপ Bengal bypolls: নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে শুভেন্দুর বার্তা, ‘শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ভোটার থাকব’, হুমায়ুন ইস্যুতেও মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা

 

Entertainment

5 months ago

Emotional Reveal: অতীতের ক্ষত এখনও তাজা—কাশ্মীর থেকে পালানোর ভয়াবহ স্মৃতি শোনালেন সময় রায়না

Samay Raina
Samay Raina

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: স্ট্যান্ডআপ কমেডির জগতে জনপ্রিয় মুখ সময় রায়না। হাসির মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করলেও ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বহন করে চলেছেন এক গভীর ট্র্যাজেডির স্মৃতি। ‘ইন্ডিয়াজ গট লেটেন্ট’ বিতর্কের পর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত সময় সম্প্রতি এক পডকাস্টে নিজের জীবনের অন্ধকার অধ্যায় তুলে ধরেন। আলোচনায় উঠে আসে ১৯৯০-এর দশকে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নির্বাসন-এর সময় তাঁর পরিবারের অভিজ্ঞতা। সেই সময়ে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর হামলা ও হুমকির ঘটনায় তাঁদের পরিবারও চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটিয়েছিল। সময় জানান, তাঁর দাদু একজন পরিচিত চিকিৎসক ছিলেন এবং তাঁকে হত্যার তালিকায় রাখা হয়েছিল। 

হুমকির চিঠি আসার পর পরিবারে ভয় ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বোঝাতে সময় বলেন,“চিঠিটা আসার পর আমার মা, দিদা অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন। আমার পিসি ছিলেন সবচেয়ে সাহসী। একদম চুপিসারে দাদুর ক্লিনিকে পৌঁছে গিয়েছিলেন।’ এই কঠিন সময়ে মানবিকতার এক অন্য দিকও সামনে আসে। সময়ের কথায়, স্থানীয় কাশ্মীরি মুসলিমরাই তাঁর দাদুকে পালাতে সাহায্য করেন। চিকিৎসক হিসেবে মানুষের পাশে থাকার জন্যই তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন তাঁরা। সেই সহমর্মিতার কারণেই প্রাণে বেঁচে যায় তাঁর পরিবার। সময়ের সংযোজন, “ওঁরা বলেছিল দাদুর কিছু হবে না। কারণ তিনি মানুষের প্রচুর উপকার করেছেন। কাশ্মীরি মুসলিমরাই আমার দাদুকে সেই কঠিন পরিস্থিতি থেকে বেরতে সাহায্য করেছিলেন।”


কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নির্বাসনের এই ঘটনার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কেও কথা বলেন সময় রায়না।তাঁরমতে, “এই ঘটনা মনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। শৈশবের আনন্দ উপভোগ থেকে বঞ্চিত থাকা, নিজের পরিচয় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাগুলো মনে ছাপ ফেলে দেয়। সমস্ত কাশ্মীরি পণ্ডিতদেরই চলে যেতে হয়েছিল। নিজেদের কোনও জায়গা ছিল না। সেই প্রজন্মের মানুষ এখনও কাশ্মীরে ফিরে যেতে ভয় পায়। আর তাঁদের বাবা-মায়েদের কাছে জায়গাটা এক ধরনের মিশ্র আবেগের স্মৃতি। বহু বছর পর আমার মা যখন কাশ্মীরে ফিরে যান তখন তিনি খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখেন আর কিছুই অবশিষ্ট নেই”। এই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে সময় রায়না বোঝাতে চেয়েছেন, সংকটের মাঝেও মানবিকতা কখনও হারিয়ে যায় না, আর সেই মানবিকতাই কখনও কখনও জীবন বাঁচানোর সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে ওঠে। 

You might also like!