
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: সিনেমা তৈরির অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগে অভিনেত্রী রকুলপ্রীত সিং এবং প্রযোজক জ্যাকি ভাগনানিকে ঘিরে শুরু হয়েছে চর্চা। ভাগনানি পরিবারের প্রযোজনা সংস্থা প্যানোরামা স্টুডিওর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর মুম্বইয়ের একাধিক ঠিকানায় আয়কর দপ্তর তল্লাশি চালিয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছিল, গত ২৮ সেপ্টেম্বর মুম্বই আয়কর দপ্তরের একাধিক দল একসঙ্গে বিভিন্ন ঠিকানায় পৌঁছে প্রযোজনা সংস্থার নথিপত্র এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত কাগজপত্র খতিয়ে দেখে। খবরটি প্রকাশ্যে আসতেই জ্যাকি ভাগনানি ও রকুলপ্রীতকে ঘিরে শুরু হয় নানা জল্পনা ও আলোচনা। ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর অবশেষে এ বিষয়ে নীরবতা ভাঙলেন রকুলপ্রীত সিং।
সমাজমাধ্যমের পোস্টে এসব অভিযোগ নস্যাৎ করে দিলেন মিসেস ভাগনানি। অভিনেত্রীর দাবি, ভুয়ো খবর রটানোর ফলে তাঁদের ভাবমীর্তি নষ্ট হচ্ছে। লম্বা চওড়া পোস্ট মারফৎ রকুলপ্রীত জানিয়েছেন, ‘এই ঘটনা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক যে কিছু স্বঘোষিত সাংবাদিকসহ মূলধারার সংবাদমাধ্যম যাচাই না করেই চাঞ্চল্যকর খবর ছড়িয়েছে। তাই আর কোনও ধোঁয়াশা না রেখে বিষয়টা স্পষ্ট করা যাক। যে তল্লাশি অভিযান নিয়ে কথা বলা হচ্ছে তার সঙ্গে আমি কোনওভাবে জড়িত নই। আমি সশস্ত্র বাহিনী পরিবারের মেয়ে। ইন্ডাস্ট্রিতে আমার কোনও গডফাদার ছিল না। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছি। একজন দায়িত্বশীল ও আইনের রীতি মেনে চলা নাগরিক হিসেবে কুড়ি বছর বয়স থেকেই কর পরিশোধ করি।’

আরও যোগ করেছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে বা কোনও প্রোডাকশন হাউসের ব্যানারে বেআইনিভাবে বিদেশি অর্থ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত নই। দেশে বিদেশে কোথাও কোনও বেআইনি সম্পত্তি নেই। কেউ উপহারও দেয়নি। যাঁরা মিথ্যা, বিদ্বেষপূর্ণ ও অনুমাননির্ভর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন তাঁরা দয়া করে সেগুলো প্রত্যাহার করুন। প্রকৃত তথ্য স্পষ্ট করার আহ্বান জানাচ্ছি। আমি জানি এবং বুঝতে পারি প্রত্যেক সংস্থার একটা নিজস্ব বাণিজ্যিক চাপ আছে। তবে সেই কারণে কোনও সত্যকে আড়াল করা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে যা কারও ভাবমূর্তি নষ্ট করে।’
