Entertainment

1 hour ago

Sweta Mishra: শুটিং স্পটেই অভিনেতার মর্মান্তিক মৃত্যু! নীরব শ্বেতা মিশ্র—রাহুলের মৃত্যুর ২২ দিন পর নতুন জল্পনা

Sweta Mishra
Sweta Mishra

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: দীঘা সংলগ্ন তালসারিতে শুটিং চলাকালীন তরুণ অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়–র মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় এখনও কাটেনি ধোঁয়াশা। ২৯ মার্চ ‘ভোলে বাবা পার করেগা’র ছবির শুটিং করতে গিয়ে সাগরের জলে তলিয়ে যান তিনি। সেই ঘটনার ২২ দিন পেরিয়ে গেলেও কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সহকর্মী থেকে অনুরাগীরা। ঘটনার সময় একই দৃশ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ অভিনেত্রী শ্বেতা মিশ্র। তিনি প্রাণে বেঁচে ফিরলেও রাহুলকে আর ফিরিয়ে আনা যায়নি—এই বৈপরীত্যই এখন তদন্তের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। যদিও এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে এই বিষয়ে মুখ খোলেননি শ্বেতা, তাঁর নীরবতাই যেন আরও কৌতূহল বাড়াচ্ছে।


এরই মধ্যে শ্বেতার একটি ফ্যান পেজ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছে একটি ছবি, যা ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাদা পোশাকে, চশমা পরা একটি শান্ত মুখের ছবির সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা— ‘তোমার অনুমতি ছাড়া কেউ তোমাকে হীনম্মন্য বোধ করাতে বা নীচু দেখাতে পারবে না।’ এই বার্তাকে অনেকেই ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছেন। একইসঙ্গে ফ্যান পেজের প্রোফাইল ছবিও বদলে দেওয়া হয়েছে, যেখানে পাহাড়ের ধারে একাকী বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রীকে। কমেন্ট বক্সে ভক্তদের একটাই দাবি—ঘটনার দিন ঠিক কী হয়েছিল, সেই সত্যিটা সামনে আসুক। অনেকেই অনুরোধ করেছেন, রাহুলের পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে শ্বেতা যেন দ্রুত নিজের বক্তব্য জানান। আবার কেউ কেউ অভিনেত্রীর বর্তমান মানসিক অবস্থার খোঁজও নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, রাহুলের মৃত্যুর পর ৩১ মার্চ শুটিংয়ের একটি দৃশ্য শেযার করে ফ্যান পেজের তরফে লেখা ছিল ‘ভালো থেকো’। প্রসঙ্গত, শ্বেতার এই ‘দ্বিতীয় জন্ম’ যেন ‘অভিশপ্ত’এক মুহূর্ত! রাহুলের মর্মান্তিক মৃত্যুতে অনেকেই কাঠগোড়ায় তুলেছেন শ্বেতা মিশ্রকে। প্রশ্ন চিহ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে শ্বেতার বেঁচে ফেরা।   এই পরিস্থিতিতে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন  ‘ধূলোকণা’র সহঅভিনেত্রী অনিন্দিতা রায়চৌধুরী। তিনি এক পোস্টে জানিয়েছেন, ‘ওই দিনের ব্যাপারে যা যা বলার ও বলবে। আইনের কাছে বলবে, বলবেই। কারণ শ্বেতার শিরদাঁড়াটা খুব সোজা আর খুব শক্ত।’ অপরদিকে কলকাতা ও ওড়িশা পুলিশ যৌথভাবে ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে। সকলের নজর এখন সেই রিপোর্টের দিকেই—যা হয়তো এই রহস্যের জট খুলতে সাহায্য করবে।




You might also like!