
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ‘বিগ বস ২০’-এর ‘উইকেন্ড কা ভার’ পর্বের পর থেকেই চর্চার কেন্দ্রে সলমন খান। শার্টলেস লুকে ভাইজানকে দেখে অনেকেরই ধারণা হয়েছিল, বয়সের সঙ্গে হয়তো তাঁর শরীরে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। কেউ কেউ আবার তাঁর অসুস্থতা নিয়েও জল্পনা শুরু করেছিলেন। সেই জল্পনার মাঝেই শার্ট খুলে নিজের ফিটনেসের ঝলক দেখিয়েছিলেন সলমন। তবে শেষ ‘উইকেন্ড কা ভার’ পর্বে পরিস্থিতি যেন একেবারে অন্যরকম। সলমনের এক চমকপ্রদ মুহূর্তে অবাক প্রতিযোগী থেকে শুরু করে শোয়ের দর্শকরা। কারণ, এবার নাকি ইচ্ছে করেই নিজের অন্যরকম চেহারা প্রকাশ্যে আনলেন তিনি। ফলে সলমনের ফিটনেস নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে চর্চা।
একইসঙ্গে এটাও নিশ্চিত করেছেন, খুব শীঘ্রই দর্শক তাঁর ‘দাবাং’ রূপ দেখবেন। মজা করে বলেছেন, ‘ওয়ার্ক ইন প্রগ্রেস।’ সাম্প্রতিক পর্বে আরও একটি বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ডিপফেক ছবি-ভিডিওর বাড়বাড়ন্তের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপের দাবি জানান ভাইজান। পরবর্তী ছবির জন্য আরও ফিট হতে এখনও এক থেকে দু’মাস সময় রয়েছে। এই মন্তব্যে ভক্তদের মধ্যে সলমনের শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে জানার আগ্রহ বেড়েছে। দর্শক, প্রতিযোগী ও অনুরাগীদের দশ গোল দিয়ে সলমন বলেন, “আমি যখন শার্ট খুলেছিলাম সেটা এই কারণেই যে এখন আমার সিক্স প্যাক নেই। সেটাই তো সকলকে দেখাতে চেয়েছিলাম।” মজা করে বলেন, ‘আনফিট শরীরই তো প্রদর্শন করেছিলাম।” এখানেই থামেননি। রসিকতা করে ফের সলমনের সংযোজন, “জানি না কেন কিন্তু আমার এই শরীরটাও অনেকে পছন্দ করে ফেলেছেন।”
হাসিমজার পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সেলিব্রিটিদের ছবি-ভিডিও বানিয়ে ভাবমূর্তি নষ্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোকপাত করেন। অনলাইন ট্রোলিং ও বডি শেমিং নিয়ে কথা বলার পর এবার এআই বা ডিপফেক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। যাঁরা এধরনের অনৈতিক কাজ করেন তাঁদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কড়া আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি তোলেন সলমন। প্রয়োজনে জেলে পাঠানো উচিত বলেও মনে করেন। নিজেও ভুক্তভোগী সলমন। এআই দ্বারা নির্মিত ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল সোশাল মিডিয়ায়। অনেকেই এআই ভয়েস ব্যবহার করে সেটিকে ডাব করে অন্য ব্যক্তিকে গালিগালাজ করা হয় সেটি অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। জেনে শুনে ভুয়ো কনটেন্ট তৈরি করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। ভাইজানের বক্তব্য, “যাঁরা জানেন এটি এআই দ্বারা নির্মিত তারপরও এই ধরনের ভিডিও বানায়, তাঁরা কেমন মানুষ? এদের জেলে পাঠানো উচিত। এক-দু’জনকে জেলে না পাঠানো পর্যন্ত এই প্রবণতা বন্ধ হবে না। সোশাল মিডিয়ায় সেন্সরশিপ প্রয়োজন। আর আমি মনে করি এই বিষয়টি খুব গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত।”
