
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বলিউডের অন্যতম চর্চিত তারকা দম্পতি ইয়ামি গৌতম ও আদিত্য ধরের সংসার ঘিরে সম্প্রতি শুরু হয়েছিল নতুন জল্পনা। শোনা যাচ্ছিল, মুম্বইয়ের ব্যস্ত গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে নাকি দূরে সরে গিয়ে হিমাচলপ্রদেশে পাকাপাকিভাবে সংসার পাতার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। এমনকি হিমাচলের মান্ডি এলাকার গোহরে ইয়ামির পুরনো বাড়িতেই নাকি নতুন করে সাজানো হচ্ছে তাঁদের সংসার। তবে সেই জল্পনায় এবার কার্যত ইতি টানল আদিত্য ধরের সহকারী টিম।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে পরিচালকের সহকারী দল স্পষ্ট জানিয়েছে, ইয়ামি ও আদিত্যর মুম্বই ছেড়ে হিমাচলে চলে যাওয়ার খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। দম্পতি হিমাচলে একশো বছরের পুরনো বাড়িতে পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করছেন—এমন কোনও সিদ্ধান্ত তাঁরা নেননি বলেই জানানো হয়েছে। পাশাপাশি কীভাবে এই ধরনের খবর ছড়িয়ে পড়ছে, তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদিত্যর টিম। তবে ইয়ামির সঙ্গে হিমাচলের যোগ যে বহু পুরনো, তা অবশ্য অজানা নয়। আদিত্য ধরের সঙ্গে বিয়ের আগেই পাহাড়ি পরিবেশের প্রতি অভিনেত্রীর গভীর টান ছিল। মান্ডির গোহরে তিনি একটি শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্যবাহী বাড়ি কিনেছিলেন। বাড়িটির সঙ্গে রয়েছে প্রায় ২৫ একর জমি। কাঠ ও পাথরের তৈরি সেই বাড়ির চারপাশে রয়েছে সবুজে ঘেরা বাগান। সেখানে আপেল, আলু এবং আদার চাষও করা হয়।

এই বাড়ির সঙ্গে ইয়ামি-আদিত্যর ব্যক্তিগত সম্পর্কও যথেষ্ট গভীর। ২০২১ সালে হিমাচলপ্রদেশেই বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন দু’জনে। ফলে পাহাড়ের প্রতি তাঁদের আলাদা টান থাকাটাই স্বাভাবিক। সম্প্রতি ইয়ামি ও আদিত্যকে হিমাচলেই বেশি সময় কাটাতে দেখা যাচ্ছে বলেও খবর ছড়িয়েছিল। সেখান থেকেই সম্ভবত তাঁদের পাকাপাকিভাবে মুম্বই ছাড়ার জল্পনা আরও জোরালো হয়। এদিকে পেশাগত জীবনেও বর্তমানে সাফল্যের শিখরে রয়েছেন দু’জন। আদিত্য ধরের পরিচালনায় ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজির সাফল্য তাঁকে ফের আলোচনার কেন্দ্রে এনেছে। অন্যদিকে ‘আর্টিকল ৩৭০’-এর জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন ইয়ামি গৌতম। এর মধ্যেই মুম্বই ছেড়ে দূরে চলে যাওয়ার খবর সামনে আসায় অনুষ্কা শর্মার মতো তাঁরাও কি ধীরে ধীরে গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছেন, এমন প্রশ্নও উঠেছিল।
তবে আপাতত সেই সম্ভাবনার কোনও ভিত্তি নেই বলেই স্পষ্ট করেছে আদিত্যর টিম। ব্যক্তিগত জীবনকে বরাবরই প্রচারের আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন ইয়ামি ও আদিত্য। তাই তাঁদের ঠিকানা বদল নিয়ে তৈরি হওয়া জল্পনাতেও এবার সরকারি নয়, বরং টিমের তরফে দেওয়া স্পষ্টীকরণেই মিলল উত্তর
