Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

Entertainment

1 year ago

Actress Rittika Sen: যৌন হেনস্থার মুখোমুখি ঋত্বিকা! কীভাবে সামলান নিজেই জানালেন

Actress Rittika Sen
Actress Rittika Sen

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বিনোদন দুনিয়ায় মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই ওঠে। বিশেষ করে দক্ষিণী চলচ্চিত্র জগতে, যেখানে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক অভিনেত্রী— ফাতিমা সানা শেখ, কীর্তি কুলহারি, অঙ্কিতা লোখান্ডের মতো তারকারা যৌন হেনস্থা ও আপত্তিকর প্রস্তাবের অভিজ্ঞতা সামনে এনেছেন। যদিও তাঁরা একসুরে জানিয়েছেন, পুরো দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রি এর সঙ্গে জড়িত নয়। এই প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠছে, দক্ষিণের একাধিক ছবিতে অভিনয় করা বাঙালি অভিনেত্রী ঋত্বিকা সেনও কি তেমনই কোনও অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন?

ঋত্বিকার মতে শুধু দক্ষিণী ছবিতে নয়। যে কোনও ইন্ডাস্ট্রিতেই কাস্টিং কাউচের মতো বিষয় রয়েছে।  ঋত্বিকা বলেন, “আমার সরাসরি খারাপ কোনও অভিজ্ঞতা হয়নি। কাস্টিং কাউচ তো সব ইন্ডাস্ট্রিতেই রয়েছে। আমরা সকলেই জানি সেটা। শুধু চলচ্চিত্র জগতেই নয়। যে কোনও ক্ষেত্রেই এই ধরনের বিষয় রয়েছে। আমারই বহু বান্ধবী রয়েছে, যাদের কেউ কেউ তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা বা অন্য ক্ষেত্রে চাকরি করে। তাদেরও নানা রকমের আপত্তিকর পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়।”সাধারণ কর্মক্ষেত্রেও প্রায় এমন অভিজ্ঞতা হয় মহিলাদের, ঋত্বিকাকে তাঁর স্কুলজীবনের দুই বান্ধবী জানিয়েছেন। মহিলাদের যে কোনও ক্ষেত্রেই হেনস্থা ও অবদমনের শিকার হতে হয় বলে মনে করেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, “আসলে কিছু মানুষ ভাবে, মহিলা মানেই তাদের যা খুশি বলা যায়। মহিলা মানেই তাদের দমিয়ে রাখা যায়। বিনোদন জগৎ বা যে কোনও ইন্ডাস্ট্রি এই সমাজেরই অংশ। তাই একই অবস্থা সব জায়গায়।”

কর্মক্ষেত্র হোক বা রাস্তাঘাটে, যে কোনও জায়গাতেই মহিলাদের হেনস্থার শিকার হতে হয়। তাই অনবরত মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা শিরোনামে উঠে আসে। কুপ্রস্তাব এলে কী ভাবে সামলান ঋত্বিকা? অভিনেত্রী বলেন, “আমি সপাটে উত্তর দিতে পছন্দ করেছি। এমন মানুষ দেখেছি, যাঁদের মানসিকতা মোটেই ভাল নয়। নিশ্চয়ই তাঁরা খারাপ পরিবেশে বড় হয়েছেন। এঁরা ভেবেই নেন, মহিলা মানেই সম্মতি ছাড়াই গায় হাত দেওয়া যায়। গণপরিবহণে যাতায়াতের সময়ে তো মহিলারা প্রায়ই হেনস্থার শিকার হন। আমি সেটা করি না বলে, তেমন অভিজ্ঞতা হয়নি।”

এমন মানুষের সঙ্গে সামান্য কথা বললেই মানসিকতা বোঝা যায়, মনে করেন ঋত্বিকা। নিজের আশপাশে বহু মানুষকেই দেখেছেন এমন ভাবে। তিনি বলেছেন, “এমন বহু মানুষকে দেখেছি। কথা বললেই এদের মানসিকতা বোঝা যায়। আমি নিজে একজন কর্মরতা মহিলা। আমি গাড়ি চালাতে পারি, নিজের সমস্ত কাজ নিজে করতে পারি। পুরুষেরা যা পারে, আমরা তা সবই পারি। মহিলারা কোনও দিক থেকেই দুর্বল নয়। কিছু মানুষের মানসিকতা ভুল ভাবে কাজ করে। এদের বড় হয়ে ওঠা তো আর বদলানো যাবে না।”


You might also like!