
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটের আগেই বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়াল তৃণমূল কংগ্রেস। শাসকদলের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে তাদের সংগঠনের মেরুদণ্ড ভেঙে দিতে সক্রিয় হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি এবং নির্বাচন কমিশন-এর একটি অংশ। বুধবার প্রকাশ্যে আনা এক ভিডিওকে হাতিয়ার করে তৃণমূলের দাবি, ডায়মন্ড হারবারের একটি সরকারি লজে গোপন বৈঠকে বসেছিলেন বিজেপি প্রার্থীরা এবং কমিশনের পুলিশ পর্যবেক্ষক। সেখানে ভোটের আগে তৃণমূলের ‘দক্ষ ও প্রভাবশালী’ নেতাদের টার্গেট করে হেনস্তা, আটক ও গ্রেপ্তারের নীলনকশা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানান, “এটি শুধুমাত্র প্রশাসনিক বৈঠক নয়, এটি গণতন্ত্রকে প্রভাবিত করার গভীর চক্রান্ত।” ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এদিন কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, আলিপুরের একটি সরকারি মেসে ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ অবজারভারের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সাগরিকা হোটেলের ২০৮ নম্বর ঘরে থাকছেন। সেখানেই মগরাহাট (পশ্চিম) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গৌর ঘোষ, ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার ও তাঁদের এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ভোটের আগে তৃণমূলের গুচ্ছ গুচ্ছ দক্ষ নেতাদের নাম পর্যবেক্ষককে দিচ্ছেন বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের যাতে বিভিন্নভাবে হেনস্তা করা হয় সেই আলোচনা হয়েছে পর্যবেক্ষকের সঙ্গে বৈঠকে। সোমবার রাতের অন্ধকারে এই বৈঠক হয়েছে।
মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পান্নালাল হালদার অভিযোগ করেন, সোমবার রাতের অন্ধকারে ডায়মন্ডহারবাবের একটি সরকারি লজে বসে কমিশনের পুলিশ পর্যবেক্ষকের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার ও কয়েকজন বিজেপি নেতা। মগরাহাট (পশ্চিম) ও ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্রের দুই তৃণমূল প্রার্থী শামিম আহমেদও ওই একই অভিযোগ করেছেন। এবার সেই বৈঠকের ভিডিও প্রকাশ করল তৃণমূল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে এ ব্যাপারে অভিযোগ জানিয়েছেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েন।
