West Bengal

3 hours ago

Abhishek Banerjee :৩০০ কোটি টাকার মাটি কেলেঙ্কারি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ, অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিজেপির ববির

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় and বিজেপি নেতা অভিজিৎ বিশ্বাস
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় and বিজেপি নেতা অভিজিৎ বিশ্বাস

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কে উত্তাল পরিস্থিতি। এবার বেআইনি মাটি কাটার মাধ্যমে বিপুল অর্থ লেনদেনের অভিযোগে তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানা গিয়েছে | অভিযোগপত্রে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের নাম রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ৩০০ কোটি টাকার মাটি বেআইনিভাবে কেটে বিক্রি করা হয়েছে। এই ঘটনায় ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ বিশ্বাস (ববি)-এর তরফে কালীতলা আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।সোমবার রাতে কালীতলা আশুলিয়া থানায় তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর আপ্তসহায়ক সুমিত রায়, বিষ্ণুপুরের জেলবন্দি তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল-সহ মোট ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

২০২০ সালে আমফানের সময় দুর্গতদের জন্য আনা ত্রাণের ত্রিপল বেআইনভাবে তৃণমূলের পার্টি অফিসে মজুত করার অভিযোগে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন লোকসভা ভোটে ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ বিশ্বাস ওরফে ববি। তাঁর অভিযোগ ছিল, তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মদতে ত্রিপলের মতো প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বেআইনিভাবে লুকিয়ে রেখে দুর্গতদের বঞ্চিত করা হয়েছিল। এতে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে বলে পুলিশে এফআইআর করেছিলেন বিজেপি নেতা ববি।

আর এবার শুধু অভিষেক নন, তাঁর আপ্তসহায়ক পলাতক সুমিত রায়, বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল-সহ মোট ২৩ জনের বিরুদ্ধে তিনি প্রমাণ-সহ মাটি চুরির অভিযোগ তুললেন। সোমবার রাতে কালীতলা আশুলিয়া থানায় দায়ের করা এফআইআরের প্রমাণস্বরূপ ববি ওই এলাকার বেশ কিছু স্যাটেলাইট ছবি দেখান। যা থেকে স্পষ্ট, কোথায় কতটা মাটি কাটা হয়েছিল এবং তার জেরে সেখানকার ভূমি কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিজেপি নেতার অভিযোগ অনুযায়ী, ধাপে ধাপে প্রায় ১৬৩ বিঘা জমির মাটি অবৈধভাবে কেটে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এই বাবদ আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে ৩০০ কোটিরও বেশি। তাঁর কথায়, ‘‘সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তো এখানকার ভূমিপুত্র নন। মাটির মূল্য উনি কী বুঝবেন? ২০১৭ সাল থেকে এখানে ধাপে ধাপে মাটি কেটে চোরাপথে বিক্রি হচ্ছে। ২০২২, ২০২৩ সালে তা আরও বাড়ে। আমরা তখনও অভিযোগ করেছিলাম। পুলিশ গুরুত্ব দেয়নি, তদন্তও হয়নি। এবার আমরা নতুন করে সেই অভিযোগ জানাচ্ছি থানায়। স্যাটেলাইট ছবি থেকে স্পষ্ট, কীভাবে  জায়গা জায়গা থেকে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে। এতে তো পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ভূমিক্ষয়ের মতো গুরুতর সমস্যার মুখে পড়তে হবে এখানকার মানুষজনকে।”

You might also like!