
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভার বাকচা গ্রামপঞ্চায়েতের গোড়ামাহাল ২৩৪ নম্বর বুথে ভোটকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, ভারতীয় জনতা পার্টি-এর কর্মী-সমর্থকেরা তৃণমূল কংগ্রেস-এর প্রার্থীকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায় এবং “চোর” স্লোগান দেয়।এর পালটা হিসেবে শাসক শিবিরও বিক্ষোভে নামে, ফলে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা লাঠি উঁচিয়ে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেন বলে জানা গেছে।
বিজেপি কর্মীদের দাবি, সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট (WB Assembly Election 2026) হচ্ছে ময়নার বাকচায়। অভিযোগ, তৃণমূল প্রার্থী চন্দন মণ্ডল এলাকার মানুষদের প্রভাবিত করছে। তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার কথা বলছে। যার ফলে সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। এদিকে, তৃণমূল প্রার্থী নিজেই জানান, সকাল থেকে বাকচা গ্রামপঞ্চায়েতের বিভিন্ন জায়গায় যান। তাঁর অভিযোগ, “ভোটারদের প্রভাবিত করার কথা শুনি। তা শুনেই ২৩৪ নম্বর বুথে দৌড়ে যাই। যাওয়ামাত্রই লাঠিসোঁটা হাতে আমার কাছে দৌড়ে আসেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। আমাকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। চোর, চোর স্লোগান দেয়।”
প্রার্থীর আর্জি, “নির্বাচন কমিশন অবিলম্বে ব্যবস্থা নিক।” কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আরও সক্রিয় হওয়ার দাবি জানিয়েছে। ‘চোর’ স্লোগান প্রসঙ্গে চন্দন জানান, “আমাকে সমাজসেবী হিসাবে সবাই চেনেন। আমি চোর নই। গদ্দারও নই। ওরা নিজেরাই চোর। যতসব মিথ্যা কথা বলছে।” বলে রাখা ভালো, এর আগে ভোটপ্রচারে গিয়েও বিক্ষোভের মুখে পড়েন তৃণমূল প্রার্থী চন্দন মণ্ডল। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। আবারও সেই ঘটনারই যেন পুনরাবৃত্তি।
এদিকে, চণ্ডীপুর বিধানসভা ফতেপুরে আবার বিজেপি কর্মীর উপরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের নিয়মকে তোয়াক্কা না করেই জটলা জমায়েত করছিল তৃণমূল। অভিযোগ করে বিজেপি। এরপরই বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধর করা হয় বলেই অভিযোগ। এই ঘটনায় আহত হন বিজেপি কর্মী। ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।
