
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ছাব্বিশের নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করাই এখন নির্বাচন কমিশন-এর প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই লক্ষ্যেই একের পর এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিচ্ছে কমিশন।প্রথম দফার ভোটকে কেন্দ্র করে বুধবার গভীর রাতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। জানা যাচ্ছে, তিনি রাতভর সিইও দপ্তরেই অবস্থান করেন এবং কন্ট্রোলরুম থেকে সরাসরি ভোট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া এখনও পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে বলে জানানো হয়েছে সিইও দপ্তরের তরফে।
বুধবার রাতে সিইও দপ্তরের বৈঠকে ছিলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল, বাংলায় নিযুক্ত কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত, বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক এনকে মিশ্র। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে সিইও ভোটের কাজে যুক্ত আধিকারিকদের ‘ফোন অফ না করার’ নির্দেশ দিয়েছেন। প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে চলছে ভোটাভুটি। প্রত্যেকটি কেন্দ্রের পর্যবেক্ষকদের সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে।
বলে রাখা ভালো, ছাব্বিশের নির্বাচনে একের পর এক বেনজির সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সমস্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের লক্ষ্যে, এমনটাই দাবি নির্বাচন কমিশনের। ঠিক যেমন – ভোটের দু’দিন আগে থেকেই মোটরবাইক চলাচলে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে কমিশন। এমার্জেন্সি ছাড়া সন্ধে ৬টা থেকে ভোর ৬টা অবধি বাইক চালানোয় নিষেধাজ্ঞা।
তাছাড়া গত ২১ তারিখ বিকেল থেকে ২৩ পর্যন্ত দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুরের মতো পর্যটনস্থলগুলির হোটেল, গেস্ট হাউসগুলিতে বাইরের কোনও ব্যক্তি থাকতে পারবেন না বলেই নির্দেশ জারি করেছে কমিশন। এমনকী, ভোটের দিন বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে ভোটার ছাড়া অন্য কারও প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে। কমিশন আরও জানিয়েছে, এলাকায় কোনও ঘটনা ঘটলে পুলিশের অনুমতি না নিয়েই ব্যবস্থা নিতে পারবে বাহিনী। অথচ খারাপ কিছু হলে ফল ভুগতে হবে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিককেই।
