Breaking News
 
Prashant Kishor: ভোট জয়ের কৌশল থেকে নির্বাচনী ময়দান, প্রশান্ত কিশোরের শতকোটির সম্পত্তি ঘিরে চর্চা Nitin Gadkari: ই-২০ পেট্রল নিয়ে সরব গাড়ি মালিকরা, মাইলেজ বিতর্কে এবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী Shivraj Chouhan Meet Suvendu Adhikari: এল নিনো মোকাবিলায় বড় সিদ্ধান্ত, জি রাম জি প্রকল্পে অতিরিক্ত ৫০ দিনের কাজের বার্তা কেন্দ্রের ISCON : কলকাতার রথযাত্রায় নতুন চমক, ইসকনের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু ,উৎসবে আমন্ত্রণ শাহকে Ayushman Bharat : আয়ুষ্মান ভারত কার্ডের আগে জেনে নিন নিয়ম, কোন পেশার ক্ষেত্রে মিলবে না সুবিধা Sudip, Kakoli, and others meet Shah and Birla.: বাদল অধিবেশনের আগে দিল্লিতে তৎপরতা, শাহ-বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাতে সুদীপ-কাকলিরা

 

Life Style News

5 months ago

Parenting Tips: শিশুর জেদ ও রাগ নিয়ন্ত্রণে কী করবেন? ছোটবেলা থেকেই শেখান সঠিক আচরণের পাঠ

Parenting Hacks for child’s personality development
Parenting Hacks for child’s personality development

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: সন্তানকে মানুষ করে তুলতে হলে ছোটবেলা থেকেই সঠিক শিক্ষা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। শৈশবকালেই যদি আচরণবিধি ও শৃঙ্খলার প্রাথমিক ধারণা দেওয়া যায়, তবে ভবিষ্যতে শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশ অনেকটাই সুস্থ ও সুরক্ষিত হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুর আচরণে পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। বাইরের জগতের সঙ্গে পরিচয়ের ফলে তাদের মধ্যে নানা চিন্তাভাবনা ও অনুভূতির বিকাশ ঘটে।

এই সময় অনেক শিশুর মধ্যেই তুচ্ছ বিষয়ে বিরক্তি, আক্রমণাত্মক স্বভাব কিংবা একগুঁয়েমির লক্ষণ দেখা যায়। নিজের পছন্দের জিনিস না পেলে মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক হলেও, রাগের বশে ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করা মোটেও কাম্য নয়। তাই শিশুর বেড়ে ওঠার সময়েই তাকে শেখাতে হবে রাগ নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক আচরণের গুরুত্ব।


∆ কী ভাবে শিশুর জেদ কমাবেন?


* শান্ত ভাবে কিন্তু দৃঢ় ভাবে কথা বলুন:  সন্তান দুষ্টু হবে, সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু কোনও ভুল করেও যদি তা মানতে না চায়, একগুঁয়ের মতো আচরণ করে, তা হলে রাগের মাথায় তার সঙ্গে মারামারি করবেন না। তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে আপনি শান্ত ভাবে কথা বলুন। কিন্তু নিজের বক্তব্য দৃঢ়তা যেন না হারায়। মনে রাখবেন এই সময়ে সঠিক শব্দ নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুকে ব্যাখ্যা করুন কেন তার আচরণ ভুল, এর পরিণতি কী হতে পারে। আপনিও তার সঙ্গে চেঁচামেচি করলে কোনও সমাধান হবে না।

* বাড়িতে এক নিয়ম মেনে চলুন:  শিশু যদি দেখে তার জন্য এক নিয়ম এবং বাকিদের জন্য অন্য নিয়ম, তা হলে মনের ভিতর খেদ তৈরি হয়। যা আগ্রাসনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই বাবা-মা এবং বাড়ির বাকি সদস্যদের নিজের আচরণ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। সেই ক্ষেত্রে বাড়িতে কিছু মৌলিক নিয়ম প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেমন - খাওয়ার সময়ে মোবাইল না দেখা, সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময়, রাতে শুতে যাওয়ার সময় ইত্যাদি। শান্ত ভাবে শিশুকে বোঝানো দরকার, তাদের কী করা উচিত এবং কী করা উচিত নয়।

* প্রশংসা করতে ভুলবেন না:  আপনার সন্তানের মধ্যে ভালো অভ্যাস এবং আচরণ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রশংসা খুবই উপকারী। যখন আপনার সন্তান ভালো আচরণ করবে বা ভালো কাজ করবে, তার প্রশংসা করুন। এটি ভবিষ্যতে তাদের ভালো আচরণ করতে উৎসাহিত করবে। বিরক্তি এবং একগুঁয়েমিও কমাবে।

* কারণটা খুঁজে বের করুন:  আপনার সন্তান কেন জেদি, আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে তা বোঝার চেষ্টা করুন। সন্তানকে বকার আগে তার সঙ্গে কথা বলুন। কেন সে এমন আচরণ করছে, তা জিজ্ঞাসা করুন। কোনও বিষয়ে আঘাত পেয়েছে কি না জানার চেষ্টা করুন। বিচার করে দেখুন ঘটনাটি কতটা যুক্তি সঙ্গত। সেই হিসেবে আচরণ করুন।

* আপনার আচরণ গুরুত্বপূর্ণ:  শিশুদের জন্য তাদের বাবা-মা প্রথম শিক্ষক। প্রথম অক্ষর থেকে শুরু করে তাদের আচরণ পর্যন্ত সবকিছুই বড়দের দেখে শেখে। পরিবারের বড়রা তার সামনে কেমন আচরণ করছেন, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। বাবা-মা যদি অন্যদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন, তা হলে সন্তান তাই শিখবে। সন্তানের সামনে নিজে উদাহরণ হয়ে ওঠার চেষ্টা করুন। 

You might also like!