
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহারের পর গাড়ির মাইলেজ কমে যাওয়ার অভিযোগ ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। একাংশ গাড়ি মালিকের দাবি, এই ধরনের জ্বালানি ব্যবহারে আগের তুলনায় কম দূরত্ব অতিক্রম করছে তাঁদের গাড়ি। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে ফের মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতীন গড়করি। তিনি জানিয়েছেন, সাধারণ গাড়ি ব্যবহারকারীদের পক্ষে গাড়ির প্রকৃত মাইলেজ নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করা অনেক সময় সম্ভব হয় না। তাঁর মতে, মাইলেজ সংক্রান্ত তথ্যের জন্য অনুমোদিত ডিলার বা সংস্থার করা পরীক্ষার ফলাফলের উপরই বেশি ভরসা করা উচিত।
সোমবার সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে একটি সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন গড়করি। সেই সময় সাংবাদিক দাবি করেন, সরকার-নির্ধারিত ই-২০ পেট্রল ব্যবহারের পর তাঁর গাড়ি মাইলেজ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, আগে তার গাড়ির মাইলেজ প্রতি লিটারে ১১ কিলোমিটার ছিল। কিন্তু ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহারের পর তা কমে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৭ কিলোমিটারে। তাঁর এই দাবির পরই গডকড়ি প্রশ্ন তোলেন যে তিনি কীভাবে হিসাবটি করলেন? উত্তরে সাংবাদিক বলেন, “গাড়ির ড্যাশবোর্ড দেখে। সবাই যেমনটা করেন।” এরপরই গড়করি পালটা বলেন, “আপনি বা আমি গাড়ির মাইলেজ পরীক্ষা করতে পারব না। গাড়ির মাইলেজ কেবল সংস্থার অনুমোদিত ডিলার নির্দিষ্ট মেশিন ব্যবহার করেই করতে পারে।”
সোমবারই ইথানল মিশ্রিল পেট্রল বা ই-২০ নিয়ে একটি সমীক্ষা প্রকাশিত হয়েছে। সি ভোটারের ওই সমীক্ষায় উঠে এসেছে, ই-২০ নিয়ে অসন্তুষ্ট খোদ এনডিএ ভোটাররা। ৫০ শতাংশেরও বেশি এনডিএ ভোটার এই জ্বালানি ব্যবহারই করতে চান না। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশের আশঙ্কা, ইথানল মিশ্রিল পেট্রল ব্যবহার করলে গাড়ির মাইলেজ কমে যেতে পারে। অন্যদিকে, মাত্র ১৮.১ শতাংশ জানিয়েছেন যে তাঁরা ই-২০ ব্যবহার করতে আগ্রহী। বাকি ২৯.৫ শতাংশ কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। আরও জানা গিয়েছে, সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৫২ শতাংশ পেট্রলের সঙ্গে ইথানল মেশানোর নীতিটিকে সমর্থন করেন না বলেও জানিয়েছেন।
