
কলকাতা, ১৭ অক্টোবর : দাবি আদায়ের জন্য মাদ্রাসা শিক্ষকরা স্মারকলিপির কর্মসূচি ঘোষণা করল। ওয়েস্ট বেঙ্গল রিকগনাইজ আন এডেড মাদ্রাসা টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সভাপতি জাভেদ মিয়াঁদাদ সোমবার এ কথা জানান।
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষার উন্নয়নের জন্য রাজ্যে ২৩৫ টি আন এডেড মাদ্রাসার অনুমতি দেয়। মাদ্রাসাগুলির সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা প্রদানের জন্য ২০১৪ সাল থেকে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের কাছে আবেদন জানালেও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেনি। তার পর ২০২১ সালে মরণপন অনশন কর্মসূচির ফলে ১৪/০২/২০২১ তারিখে সরকার পক্ষ শিক্ষক শিক্ষিকাদের সাম্মানিকের বিজ্ঞপ্তি বের করে। ০১/০৪/২০২১ তারিখ থেকে সরকার পক্ষের সহানুভূতির জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা ন্যূনতম সাম্মানিক পেলেও ছাত্রছাত্রীদের মিড ডে মিল, পোশাক, জুতো, স্কলারশিপ ও পরিকাঠামো উন্নয়ন সকল প্রকল্প থেকে মাদ্রাসাগুলি বঞ্চিত।
মাদ্রাসার উন্নয়ন ও ছাত্র-ছাত্রীদের সকল প্রকার সুবিধার জন্য একাধিকবার লিখিত আবেদন করেও কোন সুরাহা হয়নি। তাই প্রতিটি জেলা ভিত্তিক ওয়েস্ট বেঙ্গল রেকগনাইজড আন এডেড মাদ্রাসা টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন পক্ষ থেকে ডিএম অফিসে স্মারকলিপির কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সেই মত ১৮/১০/২০২২ মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদ ও জলপাইগুড়ি সহ অন্যান্য জেলায় ডিএম ডেপুটেশন দেবে এবং ১৯/১০/২০২২ বুধবার কোচবিহার ডিএম অফিসে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। শিক্ষক শিক্ষিকা ও ছাত্র ছাত্রীরা মিছিল সহকারে এই কর্মসূচি গ্রহণ করছে। যাতে সরকার পক্ষের সহানুভূতির মাধ্যমে মাদ্রাসাগুলোর সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব হয় তার জন্য মাদ্রাসার এই সংগঠন প্রথম থেকেই সরকার পক্ষের কাছে আবেদন জানিয়ে এসেছে। বর্তমানেও জানাচ্ছে।
সংগঠনের তরফ থেকে রাজ্যের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষা কর্মীবৃন্দ এবং ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদের আশা যে বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচির প্রচেষ্টাতেই মাদ্রাসাগুলি পূর্ণ এডেড মাদ্রাসায় পরিণত হবে। যাতে পিছিয়ে পড়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুস্থ ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশোনা করে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।“
