Breaking News
 
Abhishek Banerjee: জন্মদিনের মধ্যরাতে অভিষেকের বাড়ির সামনে উত্তেজনা, ‘চোর’ স্লোগান ঘিরে সংঘর্ষ! ভোর পর্যন্ত বাড়ির বাইরে সাংসদ Bihar Encounter: বিহারে পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতীদের গুলির লড়াই; নিহত ৩ দুষ্কৃতী, আহত এক পুলিশ আধিকারিক HC on KMC Elections: কলকাতা পুরসভার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট জারিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের CM Suvendu Adhikari: ‘কাজ বন্ধ করলে জেলে ঢোকাব’, ধর্মঘট ও শ্রমিক বিক্ষোভ নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: ‘জমিদাতাদের মান্যতা দেবে সরকার’, জমি অধিগ্রহণ নিয়ে বড় বার্তা শুভেন্দুর, বিঁধলেন বাম-তৃণমূলকে CM Suvendu Adhikari: ‘তোলাবাজি করলে ১৫ মিনিটেই গ্রেপ্তার’, শিল্পপতিদের অভয় দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

Govardhan Puja 2026: গোবর্ধন পুজোয় কৃষ্ণকে ৫৬ ভোগ নিবেদন! ক্ষীর থেকে মাখন-মিছরি, তালিকায় থাকে কোন কোন পদ?

Govardhan Puja 2026
Govardhan Puja 2026

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: দীপাবলির রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয় গোবর্ধন পুজোর প্রস্তুতি। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আরাধনায় এই বিশেষ দিনে দেশজুড়ে পালিত হয় অন্নকূট উৎসব। পুজোর অন্যতম আকর্ষণ ৫৬ রকমের খাবার বা ‘ছাপ্পান ভোগ’ নিবেদন। ক্ষীর, রাবড়ি, মাখন-মিছরি থেকে শুরু করে নানা ধরনের মিষ্টি, ফল, ভাত, ডাল ও সবজি—বিপুল আয়োজন থাকে এই ভোগের তালিকায়।

∆ কেন কৃষ্ণকে ৫৬ রকমের ভোগ নিবেদন করা হয়?

পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, একবার ব্রজবাসীর উপর প্রবল বৃষ্টিপাত ঘটান দেবরাজ ইন্দ্র। তাঁদের রক্ষা করতে শ্রীকৃষ্ণ নিজের কনিষ্ঠ আঙুলে গোবর্ধন পর্বত তুলে ধরেন। টানা সাত দিন ধরে ব্রজবাসী ও তাঁদের গবাদি পশুরা সেই পর্বতের নীচে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কথিত আছে, এই সাত দিন কৃষ্ণের নিয়মিত আহার গ্রহণ করা হয়নি। পরে তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে ব্রজবাসীরা সাত দিন ধরে প্রতিদিন আট প্রহরের হিসাব অনুযায়ী মোট ৫৬ রকমের খাবার নিবেদন করেন। সেই থেকেই ছাপ্পান ভোগের প্রচলন বলে বিশ্বাস করা হয়। 

∆ ছাপ্পান ভোগের তালিকায় কী কী থাকে?

এই বিশেষ ভোগে মিষ্টি, দুগ্ধজাত খাবার, বিভিন্ন ধরনের রান্না ও মরশুমি ফলের আয়োজন করা হয়। যেমন—

মিষ্টি: মালপোয়া, জিলিপি, বেসনের লাড্ডু, মতিচুর লাড্ডু, পেড়া, বরফি, গুলাব জামুন, সুজির হালুয়া, মুগডালের হালুয়া, মোহনথাল, ঘেওয়ার ও শকরপাড়া।

দুগ্ধজাত খাবার: মাখন-মিছরি, ক্ষীর, রাবড়ি, শ্রীখণ্ড, বাসুন্দি, দই, লস্যি, খুরচন ও মালাই।

ভাত ও ডাল: সাদা ভাত, খিচুড়ি, কড়ি, কেশর ভাত, সাত্ত্বিক পোলাও, অড়হর ডাল, মুগডাল ও বাজরার খিচুড়ি।

রুটি ও অন্যান্য পদ: পুরি, কচুরি, পরোটা, ফুলকা, বেদমি পুরি, মিসি রুটি ও থেপলা।

সবজির পদ: অন্নকূট সবজি, আলুর তরকারি, কুমড়োর তরকারি, কচুর তরকারি, ফুলকপির তরকারি, ঢেঁড়সের তরকারি, ছোলে, পনিরের তরকারি, শাক, শিমের তরকারি ও মিষ্টি আলুর পদ।

অন্যান্য খাবার: মঠরি, নোনতা প্যারে, পকোড়া, পাপড়, চাটনি, আচার, রায়তা, মরশুমি ফল ও এলাচ-সহ পান।

∆ অন্নকূট উৎসবের বিশেষত্ব কী?

অন্নকূট শব্দের অর্থ খাদ্যের পাহাড়। এই রীতিতে বিভিন্ন ধরনের রান্না করা খাবার একসঙ্গে সাজিয়ে শ্রীকৃষ্ণের সামনে নিবেদন করা হয়। অনেক মন্দিরে পাহাড়ের মতো করে খাবার সাজানোর বিশেষ রীতি রয়েছে। পুজো শেষে সেই ভোগ ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ হিসেবে বিতরণ করা হয়। তবে ৫৬ রকমের খাবার আয়োজন করা সম্ভব না হলেও বাড়িতে সামর্থ্য অনুযায়ী কয়েকটি সাত্ত্বিক পদ দিয়েই কৃষ্ণের পুজো করা যায়। ভক্তদের বিশ্বাস, ভোগের সংখ্যা নয়, বরং ভক্তি ও আন্তরিকতাই এই উৎসবের মূল তাৎপর্য।

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…