
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ‘দুর্জনের ছলের অভাব হয় না’—প্রবাদটি টেনে সংসদের বাদল অধিবেশনে বিরোধীদের ভূমিকা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করা যায়। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী শিবিরের লাগাতার বিক্ষোভ ও হট্টগোলের জেরে অধিবেশনের অধিকাংশ সময়ই নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ। বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ, স্লোগান এবং ওয়াকআউটের জেরে বারবার মুলতুবি হয়েছে সংসদের কাজ। ফলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিল নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়নি। তবে আলোচনার সময় কমলেও বিল পাশের ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেনি কেন্দ্র। সংসদে যতটুকু সুযোগ মিলেছে, সেই সময়েই একের পর এক বিল পাশ করিয়ে নিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। ফলে বাদল অধিবেশনের শেষলগ্নে বিরোধীদের আন্দোলন বনাম সরকারের আইন পাশের কৌশল—দুইয়ের সংঘাতই হয়ে উঠেছে জাতীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচ্য বিষয়।
জানা গিয়েছে, ‘নাওতা ভূম’ নামে কন্টেনার বোঝাই বিশাল জাহাজটি সিঙ্গাপুর থেকে কলকাতা বন্দরের দিকে আসছিল। স্থানীয়দের কথায়, হঠাৎ করেই মাঝনদীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জাহাজটি ক্রমেই নদীবাঁধের দিকে এগিয়ে আসতে থাকে। আতঙ্কে শিউরে ওঠেন মানুষজন। আশঙ্কা সত্যি করে শেষপর্যন্ত নদীর বাঁধেই ধাক্কা মারে ওই পণ্যবাহী জাহাজ।প্রশাসনের আধিকারিকদের কথায়, অমবস্যার ভরা কোটালে ফুঁসছে হুগলি নদী। উত্তাল হুগলি নদী। তার জেরেই এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।যদিও দুর্ঘটনার অন্যান্য কারণগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে নদীবাঁধে ফাটল দেখা দেওয়ায় ভরা কোটালে এলাকায় জল ঢোকার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় মানুষজন।নুরপুরে এমন ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও একাধিকবার নুরপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদেশি পণ্যবাহী জাহাজের হুগলি নদীবাঁধে ধাক্কা মারার ঘটনা বা বাঁধের কাছাকাছি চলে আসার ঘটনা ঘটেছে। বারবার কেন এমন একই দুর্ঘটনা ঘটছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় মানুষজন।
