Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

kolkata

2 months ago

21 July rally: রাহুলের আক্রমণের পরও ২১ জুলাইয়ে কংগ্রেসের মঞ্চে মমতাই মুখ্য! শহিদ স্মরণে ব্যতিক্রমী বার্তা

21 July Congress
21 July Congress

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্রের দাবিতে মহাকরণ অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আন্দোলনই পরবর্তীকালে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে ওঠে। এরপর কংগ্রেসের সঙ্গে রাজনৈতিক দূরত্ব তৈরি করে তিনি গড়ে তোলেন তৃণমূল কংগ্রেস এবং দীর্ঘ আন্দোলনের পথ পেরিয়ে রাজ্যের ক্ষমতায় আসেন। সময়ের সঙ্গে দুই শিবিরের সম্পর্কের সমীকরণ বদলেছে। এমনকি চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেস নেতৃত্বও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কড়া রাজনৈতিক আক্রমণ শানিয়েছিল। তবু ২১ জুলাইয়ের শহিদ স্মরণ কর্মসূচিতে ১৯৯৩ সালের আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরতে গিয়ে কংগ্রেসের মঞ্চে স্থান পেয়েছে সেই সময়ের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই। কারণ, ওই আন্দোলনের মুখ এবং নেতৃত্ব— দুটোর সঙ্গেই অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে রয়েছে তাঁর নাম। পুলিশের লাঠিচার্জের মুখে কর্মীদের নেতৃত্ব দেওয়া থেকে শুরু করে আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকার স্মৃতিই এদিনের কর্মসূচিতে তুলে ধরেছে কংগ্রেস।  

প্রতিবছর তৃণমূলের তরফে ধর্মতলার বুকে আয়োজন করা হয় একুশে জুলাইয়ের। এবারের ছবিটা একেবারে আলাদা। শহরের বুকে এবার শহিদ স্মরণে তিনটি মঞ্চ হয়েছে। একটি ‘মমতাপন্থী তৃণমূলে’র, একটি ‘ঋতব্রতপন্থী’দের। তৃতীয় মঞ্চটি কংগ্রেসের। এতগুলো বছর বিধানভবনেই শহিদদের ছবিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করত নেতৃত্ব। এবার তৃণমূলের দড়ি টানাটানির মাঝে বহু বছর পর খোলা আকাশের নিচে শহিদ স্মরণের সাহস দেখিয়েছে কংগ্রেস। এদিন মঞ্চজুড়ে দেখা গেল ৯৩-এর সেই আন্দোলনের নানা মুহূর্ত। অর্থাৎ সেদিনের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি।  তবে হ্যাঁ, মমতাকে অস্বীকার করতে না পারলেও আক্রমণ করার সুযোগও হাতছাড়া করেনি কংগ্রেস। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলনের পুরনো ছবি ব্যবহার করে যে গ্যালারি করা হয়েছে, সেখানে রয়েছে ২০০৩ সালের একুশে জুলাইয়ের ছবিও। দেখা যাচ্ছে, শহিদ স্মরণের মঞ্চে মমতার পাশে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর চেয়ারম্যান জর্জ ফার্নান্ডেজ। তাতে লেখা, ‘এটা শুধু অন্যায় না, পাপ।’ আসলে কংগ্রেসের ব্যানারে মহাকরণ ডাক দেওয়া হলেও একুশে জুলাইয়ের সেই অভিযানের পুরোটা জুড়েই ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন দল তৈরির পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বরাবর শহিদ স্মরণের আয়োজন করা হলেও তা নিয়ে বারবার বিতর্ক হয়েছে। শহিদদের পরিবারকে ‘হ্যাইজ্যাক’ করার অভিযোগও উঠেছে। কারণ, সেদিনের গুলিচালনায় মৃত্যু হয়েছিল ১৩ যুব কংগ্রেস কর্মীর। এ প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, “আন্দোলন ইতিহাস যেমন অস্বীকার করা যায় না, তেমনই মমতার নেতৃত্বে অভিযানে কংগ্রেসের কর্মীদের উপর সন্ত্রাস চলেছে সেটাও সত্য।” তবে এদিনের কংগ্রেসের মঞ্চই প্রমাণ করে দিল, একুশে জুলাই মমতারই। 

উল্লেখ্য, এদিন কংগ্রেসের শহিদ স্মরণের মঞ্চে ছিলেন শহিদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাদা বিকাশ। শহিদ  মুরারি চক্রবর্তীর ভাই চিঠি দিয়েছেন শুভঙ্কর সরকারকে। তাঁরা লিখেছেন, “আপনার আমন্ত্রণে পরিবার হিসাবে অভিভূত। গত ৩৪ বছর দাদার হত্যার বিচার না হওয়ায় এবার আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি কোনও শহিদ সমাবেশ অংশ নেব না। পরে নিশ্চয়ই আসব।” 

You might also like!