International

1 hour ago

Israel ana Lebanon agree to ceasefire : দু’দিনের কূটনৈতিক বৈঠকে বরফ গলল, যুদ্ধবিরতিতে সম্মত বেইরুট ও তেল আভিভ

Israel and Lebanon Agree to Implement Conditional Ceasefire
Israel and Lebanon Agree to Implement Conditional Ceasefire

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকার মধ্যস্থতায় দু’দিনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর আপাতত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে  ইজ়রায়েল ও লেবানন । United States জানিয়েছে, আপাতত লেবাননে হামলা চালাবে না ইজ়রায়েল। তবে বেইরুটের সামনে কয়েকটি শর্তও রেখেছে তেল আভিভ, সেগুলি মানা হলে তবেই হামলা থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে। তা নিয়ে ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সম্প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন বন্ধু ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁকে ‘বদ্ধ উন্মাদ’ বলেও ভর্ৎসনা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। প্রসঙ্গত, ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে শান্তিচুক্তির অন্যতম শর্ত, লেবাননে ইজ়রায়েলের হামলা বন্ধ করতে হবে। ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজ়বুল্লাকে নিশানা করা যাবে না। ইরান চুক্তির পথে ট্রাম্পের অন্যতম ‘বাধা’ হয়ে উঠেছে লেবানন সমস্যা।

পশ্চিম এশিয়ার এই দেশটির দক্ষিণ ভাগে দীর্ঘ দিন ধরেই সক্রিয় ইরানের মদতপুষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজ়বুল্লা। লেবাননের এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে আগে থেকেই সংঘর্ষ চলছে ইজ়রায়েলের। আমেরিকা-ইরান সংঘাতের মাঝে হিজ়বুল্লা এবং ইজ়রায়েলের সংঘর্ষও বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, চুক্তি নিয়ে কোনও আলোচনা করতে চাইলে লেবাননের উপর হামলা বন্ধ করতে হবে। কিন্তু তার পরেও লেবাননে পর পর হামলা চালাচ্ছে ইজ়রায়েল। সম্প্রতি ওই দেশের অভ্যন্তরে ঢুকে বেশ কয়েকটি এলাকা দখল করারও অভিযোগ উঠেছে ইজ়রায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে। কিন্তু ইজ়রায়েলের এই ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। কারণ, ইরানের সঙ্গে সমঝোতার পথে হাঁটতে হলে এই শর্তও রক্ষা করা জরুরি বলে মনে করেন ট্রাম্প। আর সেই কারণেই লেবাননের সঙ্গে ইজ়রায়েলের অচলাবস্থা কাটাতে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আয়োজন করা হয় ওয়াশিংটনের তরফে।

দু’দিন ধরে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক চলে। অবশেষে দু’দেশই সম্মত হয়েছে যুদ্ধবিরতিতে। তবে বেইরুটের সামনে ইজ়রায়েল শর্ত রেখেছে, সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজ়বুল্লাকে হামলা বন্ধ করতে হবে। লিটানি নদী এবং সংলগ্ন এলাকাগুলি থেকে হিজ়বুল্লার সমস্ত কার্যকলাপ গুটিয়ে ফেলতে হবে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, যুদ্ধবিরতিতে লেবানন সম্মত হলেও হিজ়বুল্লা কি তাদের হামলা বন্ধ রাখবে? বুধবারই ইজ়রায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে হিজ়বুল্লার বিরুদ্ধে। অন্য দিকে, ইজ়রায়েলও পাল্টা হামলা চালায়। সেই হামলায় ন’জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি লেবাননের। তবে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি হিজ়বুল্লা। অন্য দিকে, আমেরিকাও লেবাননের বাহিনীকে সমস্ত রকম সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে। তবে ইজ়রায়েল কিন্তু একটি বিষয়ের উপরেই জোর দিয়েছে যে, হিজ়বুল্লাকে যদি নিরস্ত্র করা যায়, তা হলেই লেবানন এবং ওই অঞ্চলে পরিস্থিতি শান্ত হবে। আগামী ২২ জুন আবার দু’দেশ সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে মুখোমুখি বসবে বলে জানিয়েছে আমেরিকা।

You might also like!