Breaking News
 
Naseer Speaks: নিট আন্দোলনে সরব নাসিরুদ্দিন শাহ, পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়ে বললেন— ‘লড়াই চালিয়ে যান, আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি’ NEET Paper Leak: ‘শিক্ষার্থীরাই প্রথম’, নিট ইস্যুতে সংসদে মুখোমুখি আলোচনার বার্তা রিজিজুর Madan Mitra Son's News: শিবির বদলের আবহেই ইডি তলব! পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে সিজিও কমপ্লেক্সে মদনপুত্র CM Suvendu Adhikari: ‘ঝগড়া নিজেরা মেটান, মুখ্যমন্ত্রী তো বসে নেই’,বিরোধী দলনেতা নিয়ে মুখ খুললেন শুভেন্দু TMC 21 July Controversy: ‘আড়াই হাজার লোক নিয়ে বড় বড় কথা’, অভিষেককে নিশানা করে পালটা আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর, বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ 21 July Kalyan Banerjee: ‘একুশের সভায় লোক দেখেই আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার’, মমতাকে নিশানা করে বিস্ফোরক পোস্ট কল্যাণের

 

International

2 hours ago

S Jaishankar Meets Marco Rubio: ম্যানিলায় চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ডঃ এস জয়শঙ্করের

EAM Jaishankar holds talks with Chinese FM Wang Yi in Manila
EAM Jaishankar holds talks with Chinese FM Wang Yi in Manila

 

ম্যানিলা, ২২ জুলাই : ফিলিপিন্সের ম্যানিলায় চিনের পলিটব্যুরো সদস্য ও বিদেশ মন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে বৈঠক করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্কর। বৈঠকে জয়শঙ্কর বলেন, "আপনার সঙ্গে পুনরায় সাক্ষাৎ করতে পেরে আমি আনন্দিত। আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামে আমাদের অংশগ্রহণ কেবল সম্মিলিতভাবে মতবিনিময়ের সুযোগই করে দেয় না, বরং এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি আয়োজনেরও সুযোগ করে দেয়।এর আগে এক বছর আগে আমাদের সাক্ষাৎ হয়েছিল এবং আপনি সম্প্রতি ভারত সফর করেছেন। আজকের এই বৈঠকটি আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা এবং গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ঘটনাবলী নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে।"

জয়শঙ্কর আরও বলেন, "২০২৪ সালের অক্টোবরে কাজানে আমাদের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পর থেকে ভারত ও চিনের মধ্যকার সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে। গত আগস্টে তিয়ানজিনে তাঁদের সাক্ষাতের সময় এই ইতিবাচক ধারাটি আরও সুদৃঢ় হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পারস্পরিক স্বার্থ এবং একে অপরের সংবেদনশীলতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার ভিত্তিতেই একটি স্থিতিশীল ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব। এই ধরনের সম্পর্ক একটি বহু-মেরু এশিয়া এবং বহু-মেরু বিশ্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।"

জয়শঙ্কর আরও বলেন, "স্বাভাবিক সম্পর্কের জন্য সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অপরিহার্য। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে উভয় পক্ষই এই গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে। এ বিষয়ে আমাদের নিরন্তর মনোযোগ বজায় রাখা প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রে বিদ্যমান সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াগুলিকে পূর্ণ সমর্থন ও জোরালোভাবে উৎসাহিত করতে হবে। দুটি বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র এবং নিকটতম প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও চিনের নিজস্ব কিছু স্বার্থ থাকাটাই স্বাভাবিক। ঠিক এ কারণেই আমাদের নেতারা একমত হয়েছিলেন, মতপার্থক্য যেন বিবাদে রূপ না নেয়। কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সেগুলোকে যথাযথভাবে পরিচালনা করা বাঞ্ছনীয়।"

You might also like!