Jagannath Chattopadhyay | রাজ্যের প্রতিটি থানায় কালীমূর্তি বসানোর ভাবনা? রঘু ডাকাতের উদাহরণ দিলেন জগন্নাথ

Jagannath Chattopadhyay
Jagannath Chattopadhyay

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: এবার রাজ্যের থানায় থানায় কালীপুজো আয়োজনের প্রস্তাব দিলেন মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সিউড়ি থানায় আয়োজিত বিজয়া সম্মেলনীর মঞ্চ থেকে বীরভূমের জেলা পুলিশ সুপারের কাছে এই বিশেষ আর্জি জানান তিনি। নিজের বক্তব্যে রঘু ডাকাতের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তাঁর প্রস্তাব, থানায় কালীমূর্তি রেখে পুজোর আয়োজন করা যেতে পারে। তবে এই উদ্যোগে কোনও ধর্মীয় ভেদাভেদ থাকবে না বলেও স্পষ্ট করে দেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা উচিত। মন্ত্রীর এই প্রস্তাব ঘিরে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

বুধবার ওই অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে মন্ত্রী বলেন, “প্রত্যেক থানায় সাড়ম্বরে কালীপুজো হবে। রঘু ডাকাতও কিন্তু ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে কালীপুজো করে যেতেন। আপনারা কার্যত শক্তিরই উপাসক। থানায় কেন কালীপুজো করতে বলেছি এর মধ্যে রিলিজিয়াস প্রোপরশন দেখার দরকার নেই। বাঙালিদের স্কুলে স্কুলে যেমন সরস্বতী পুজোর সংস্কৃতি রয়েছে তেমনই থানার সংস্কৃতি কালীপুজো। এটার মধ্যে ধর্ম থাকবে না। পুলিশ বাহিনীকে শক্তি দেবে। প্রত্যেক থানায় বীরভূম জেলায় সতীপীঠের থানায় কালীপুজো হওয়া ভালো।”

তাঁর কথায়, “হাসপাতালের সামনে মূর্তি থাকলে ডাক্তার অপারেশনে যাওয়ার আগে মাথা ঠুকে যায়। আবার রোগীও সুস্থ হয়ে ফেরার সময় মাথা ঠুকে যায়। তেমনই থানাতেও কালীমূর্তি থাকা দরকার। চোর যখন ঢুকবে তখন বলবে মা যেন ছাড়া পাই। পুলিশ যখন রেডে যাবে তখনও যেন বলে যায় যাকে আশা করে ধরতে যাচ্ছি, তাকে যেন পাই।” বলে রাখা ভালো, বুধবারই নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রত্যেক মন্ত্রীর কাঁধে জেলাভিত্তিক কালীপুজোর দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি। তবে বড় জেলার ক্ষেত্রে ২ জন করে মন্ত্রীদেরও নিযুক্ত করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে নবান্ন সূত্রে। চোরবাগান বিপর্যয় থেকে শিক্ষা নিয়ে এই সিদ্ধান্ত বলেই খবর। সুতরাং আলোর উৎসব নিয়ে প্রশাসন যে যথেষ্ট সতর্ক সে বিষয়ে কোনও দ্বিমত নেই।

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…