Firecracker | উৎসবের আনন্দে লাগাম নয়, নিরাপত্তায় জোর! ফানুস ও বাজি নিয়ে কড়া বার্তা প্রশাসনের

কালীপুজোর আগে ফানুস ব্যবহারে কড়াকড়ি
কালীপুজোর আগে ফানুস ব্যবহারে কড়াকড়ি

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: কালীপুজোর আগে বাজির পাশাপাশি ফানুস ও এয়ার বেলুনের ব্যবহার নিয়েও সতর্ক করল রাজ্য পুলিশ। উৎসবের মরশুমে বাড়ির ছাদ থেকে শুরু করে রাস্তার ধারে, নানা জায়গায় ফানুস ওড়ানোর প্রবণতা দেখা যায়। তবে এ বার এ ধরনের সামগ্রী ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলার বার্তা দিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তা। তাঁর বক্তব্য, অনুমতি বা লাইসেন্স ছাড়া ফানুস ও এয়ার বেলুন ওড়ানোর জেরে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেই বিপদ এড়াতেই ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিয়ম মানার উপর জোর দিচ্ছে প্রশাসন। ফলে কালীপুজোর আগে ফানুস ওড়ানোর ক্ষেত্রে কী কী বিধিনিষেধ রয়েছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। 

রাজ্যে কালীপুজোর প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করে পুলিশ-প্রশাসন। এরপর যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করে তারা। নবান্নের সভাঘর থেকে স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ গ্রিন বাজি ব্যবহারে জোর দেন। তিনি স্পষ্ট করে দেন, সাইলেন্ট জোন অর্থাৎ হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ, বৃদ্ধাশ্রমের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনও শব্দবাজি ফাটানো যাবে না। সেখানে নীরবতা বজায় রাখতে হবে। কালীপুজোর আগে বাজি বাজারের উপর নিয়ন্ত্রণ, নজরদারি থাকলে। তাঁর কথায়, “নিজের আনন্দ যেন অন্যের দুঃখের কারণ না হয়।” তিনি মনে করেন, প্রশাসনের কড়াকড়ির থেকে মানুষের সচেতনা বেশি জরুরি। তাই বাজি ব্যবহার নিয়ে সকলের মধ্যে সচেতনা বৃদ্ধি করতে হবে।

কালীপুজোর আগে কন্ট্রোল রুম চালুর কথাও জানান স্বরাষ্ট্রসচিব। বাজি নিয়ে কারও কোনও অভিযোগ থাকলে কন্ট্রোল রুমে জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। নিষিদ্ধ বাজির বিরুদ্ধে লাগাতার চলবে অভিযান। উৎসবের দিনগুলিতেও সচেতন থাকবে প্রশাসন। চলবে পেট্রোলিং। সাইলেন্ট জোনে সবসময়ই নীরবতা পালন করতে হবে। এর জন্য সবার আগে মানুষকে সচেতন হওয়ার বার্তা দেন স্বরাষ্ট্রসচিব।

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…