
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: একদিনে রাজ্যে পরপর দু’টি পুলিশি এনকাউন্টারে অভিযুক্তের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় স্কুলছাত্রী ধ*র্ষ*ণ ও খু*নে*র মামলায় অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের মৃত্যু হয় পুলিশের গুলিতে। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিকেলে মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে সিআইডির গুলিতে মৃ*ত্যু হল খু*নে*র মামলায় অভিযুক্ত শামাউল শেখের। সূত্রের খবর, তদন্তে বাধা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন তিনি। সেই সময়ই গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে। ফরাক্কার ঘোড়াইপাড়ার বাসিন্দা শামাউলের বিরুদ্ধে ধুলিয়ানে বিজেপি নেতা সুজিত মণ্ডলকে খু*নে*র অভিযোগ ছিল। সেই মামলায় তিনি জেলবন্দি ছিলেন। একই দিনে দুই পৃথক ঘটনায় অভিযুক্তের মৃত্যুকে ঘিরে রাজ্যে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
দু’মাস আগে সুজিত মণ্ডলকে ধুলিয়ান বাজার এলাকায় খু*ন *করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। খু*ন* করে ওই বিজেপি নেতার দেহের একেকটি টুকরো একেকটি জায়গায় ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে সামাউনের নাম। তবে রাস্তায় এনকাউন্টার হয়নি। এলাকার একটি হোটেলের ঘরে পুনর্নির্মান করা হচ্ছিল। সেই সময় এই ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সামাউনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এই ঘটনার কথা আগেও উল্লেখ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গত সেপ্টেম্বর মাসে সাংবাদিক বৈঠক করে শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, সুজিতকে পশু কাটার অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খু*ন* করা হয়েছে। ‘আমরা সিরিয়াসলি নিয়েছি’ বলে মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার দায়িত্বভার সিআইডি-র হাতে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন।এদিন ভোররাতে গাইঘাটায় ধ*র্ষ*ণে অভিযুক্ত যুবকের মৃ*ত্যু* হয়েছে এ*ন*কা*উ*ন্টা*রে। সেখানেও ঘটনার পুনর্নিমাণ করতে যেতেই পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত।
