International

2 years ago

World Handwriting Contest:সুন্দর হাতের লেখায় বিশ্ব রেকর্ড করলো রেমন স্মিথ রিচার্ড

Ramon Smith Richard set the world record for beautiful handwriting
Ramon Smith Richard set the world record for beautiful handwriting

 

 দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ মেয়েদের মধ্যে বিশ্বের সেরা সুন্দর হাতের লেখার অধিকারী হলেন প্রকৃতি মাল্লা। নেপালের এই মেয়ে গর্বিত করেছে তার দেশকে। তবে জানেন কি বিশ্বের সবথেকে সেরা সুন্দর হাতের লেখা ছেলেদের মধ্যে কার রয়েছে? জানলে ভারতীয় হিসেবে গর্ব হবে আপনার। কারণ, মেয়েদের মধ্যে হাতের লেখায় নেপাল এগিয়ে থাকলেও ভারত (India) -ও কিন্তু বিশ্বের সবথেকে সেরা সুন্দর হাতের লেখার কৃতিত্ব পেয়েছে বেঙ্গালুরু (Bengaluru) -র এক ছাত্রের জন্য।

ওয়ার্ল্ড হ্যান্ড রাইটিং প্রতিযোগিতা (World Handwriting Contest) -য় প্রথম স্থান অর্জন করে শুধু নিজের শহরকে নয়, গোটা দেশকে গর্বিত করেছে রেমন স্মিথ রিচার্ড (Raymon Smith Richard) নামের এক ছাত্র। সে কর্নাটকের বেঙ্গালুরুর বাবুস্যাপলার সেন্ট ভিন্সেন্ট পালোটি স্কুল (St Vincent Pallotti School) -র ছাত্র। ২০২০ সালের এই প্রতিযোগিতায় ফাংশনাল হ্যান্ড রাইটিং গ্রুপের প্রি-টিনস বিভাগের অর্থাৎ ৮ থেকে ১২ বছর গ্রুপের মধ্যে সেরা নির্বাচিত হয়েছে। নিউইয়র্কভিত্তিক সংগঠন হ্যান্ডরাইটিং ফর হিউম্যানিটি (Handwriting for Humanity) -র তরফ থেকে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল।

এই প্রতিযোগিতা থেকে বিজয়ীদের একটি করে শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। গোটা বিশ্ব থেকে প্রায় লক্ষাধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছিলেন এখানে। তাদের সবাইকে টেক্কা দিয়ে রেমন জিতে নেয় সবার সেরা আসন। ওই সময় সে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র ছিল। বর্তমানে রেমন বেঙ্গালুরুর ওই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। তার মা-বাবা রোজালিন রিচার্ড এবং রিচার্ড ভিনসেন্ট জানিয়েছেন চতুর্থ প্রচেষ্টায় এই সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে তাদের সন্তান।

রেমনের মা পেশায় একজন গ্রাফোলজিস্ট এবং ক্যালিগ্রাফি শিক্ষক। তিনি জানিয়েছেন, “রেমন তৃতীয় ক্লাস থেকে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। সারা বিশ্ব থেকে প্রচুর সংখ্যক প্রতিযোগীরা অংশ নিয়েছিল এখানে। তাদের মধ্যে থেকে জয়লাভ করা খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল।” তিনি আরও বলেছেন আসলে ২০২০ এর প্রতিযোগিতার আগে মহামারীর ওই সময়টায় রেমন তার হাতের লেখা অনুশীলনের জন্য অতিরিক্ত সময় পায়।

লকডাউনের সময় বাড়িতে বসে হাতের লেখার জন্য রেমন অতিরিক্ত এক ঘন্টা খরচ করত। ব্যাস, হাতের লেখা বিশ্বের সবথেকে সেরা করে তোলার জন্য সে এটুকুই করেছেন। অবশ্য হাতের লেখা উন্নততর করার ক্ষেত্রে তাকে সবসময় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন তার মা। প্রতিযোগিতার বিজয়ী হিসেবে রেমন ওই সংস্থার থেকে ইমেইল মারফত শংসাপত্রের ডিজিটাল কপি পেয়েছে। এছাড়া হার্ড কপি এবং স্মারকও পেয়েছে সে।

তবে রেমন এখানেই থেমে থাকতে চাননি। তিনি যে কৃতিত্ব অর্জন করেছেন সেটা ধরে রাখার জন্য প্রত্যেকদিন কমপক্ষে এক ঘণ্টা করে অনুশীলন চালিয়ে যেতে চান। আগামী দুই বছরের জন্যেও তিনি প্রতিযোগিতা জিততে চান। নিয়ম অনুসারে কোনও প্রতিযোগী যদি একটানা তিন বছর এই প্রতিযোগিতায় জিততে পারেন তাহলে তাকে ‘লাইফটাইম উইনার’ ঘোষণা করা হয়। বড় হয়ে রেমন মহাকাশ গবেষক হতে চান।


You might also like!