
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ অবশেষে স্বস্তি পেলেন সূরজ পাঞ্চোলি। জিয়া খান আত্মহত্যা মামলায় জামিনে হাজতের বাইরে থাকলেও গত ১০ বছর আদালতের শর্ত মেনে জীবনযাপনে যথেষ্ট ‘বেগ’ পেতে হয়েছে সূরজকে। শুক্রবার জিয়া খান আত্মহত্যা মামলায় বিশেষ সিবিআই আদাতের চারক এএস সইদ উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে সূরজকে বেকসুর বলে রায় দিয়েছেন।
তবে এই সিদ্ধানে একেবারেই খুশি নন জিয়ার মা রাবিয়া খান। আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, “আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ খারিজ করা হল, খুব ভাল কথা, কিন্তু খুনের অভিযোগ আমি সরিয়ে নিচ্ছি না। কী করে মারা গেল আমার সন্তান?” রাবিয়ার দাবি, তিনি শুরু থেকে বলে আসছেন জিয়ার মৃত্যু আত্মহত্যা নয়, খুন। আদালতের রায়ের পরেও এটি খুনই থাকবে। এই মামলা তিনি আরও দূর এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে জানান।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে মুম্বইয়ের জুহুতে নিজের বাসভবন থেকেই উদ্ধার হয় অভিনেত্রী জিয়া খানের দেহ। মৃত্যুর আগে খোলা চিঠিতে নিজের কষ্ট জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী।তাঁর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চোলির একমাত্র পুত্র সূরজ পাঞ্চোলির বিরুদ্ধে। জিয়ার মৃত্যুর পর তাঁর মা রাবিয়া খান জানান, সূরজের সঙ্গে সম্পর্কে থাকাকালীন জিয়াকে নানা ভাবে হেনস্থা করা হত। সূরজ এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করেন রাবিয়া। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয় তদন্ত। সেই মামলারই শুনানি ছিল শুক্রবার
এইদিন সকাল ১১টা নাগাদ আদালতের বাইরে গাড়ি থেকে নামেন সূরজ। অভিনেতার সঙ্গে ছিলেন তাঁর মা জারিনা ওয়াহাব। আদালত দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ এই মামলার রায় দান করে। স্বাভাবিক ভাবেই এই রায়ের পর পাঞ্চোলি পরিবারে খুশির হাওয়া। অন্য দিকে শুক্রবার সকালে জিয়ার মা রাবিয়া খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমি শুধু এইটুকুই বলতে চাই, জিয়া আত্মহত্যা করেনি। বিগত ১০ বছর ধরে উপযুক্ত প্রমাণ নিয়ে আমরা লড়াই করছি। মহামান্য আদালতের কাছে আমি শুধু সত্যের পক্ষে রায় আশা করছি।’’
