Breaking News
 
CM Suvendu Adhikari: নতুন শিক্ষকদের রাজনীতি করা যাবে না, ইন্দ্রনীল-কাণ্ডে মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর! গাইলেন ‘আমার যাওয়ার সময় হলো’ Indranil Sen: ইডির দফতরে ইন্দ্রনীল, সিজিও কমপ্লেক্সের বাইরে পুলিশ! গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় জল্পনা তুঙ্গে Cabinet meeting at Nabanna: চোরবাগানের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে তৎপর রাজ্য! কালীপুজোয় প্রতি জেলার দায়িত্বে একজন মন্ত্রী, নির্দেশ শুভেন্দুর Spain Train Crash: দ্রুতগতির দুই প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ মাদ্রিদে! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ৩৯ Jio IPO Listing Updates: শেয়ার বাজারে আত্মপ্রকাশেই বাজিমাত! ২১% প্রিমিয়ামে লিস্টিং, মূল্যায়নে দ্বিতীয় স্থানে DA hike news 2026 July: উৎসবের আগেই উপহার কেন্দ্রের! কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধি ঘিরে স্বস্তি

 

Editorial : শহীদ দিবসের ফিরে দেখা,তিন বীরের আত্ম বলিদান :

Martyr's Day
Martyr's Day

 

নিজের দেশকে ভালবেসে, দেশের জন্য যেসমস্ত মুক্তিযোদ্ধারা নিজের প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম হল - ভগৎ সিং, রাজগুরু এবং সুখদেব। এই তিন স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম ভারতের ইতিহাসে চিরকালের জন্য জ্বলজ্বল করবে। ১৯৩১ সালের ২৩ মার্চ অর্থাৎ আজকের দিনেই এই তিন সাহসী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা তাঁদের মাতৃভূমি ভারতের জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন। তাঁদের এই ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই তাঁদের মৃত্যুবার্ষিকীতে ভারতজুড়ে শহীদ দিবস পালন করা হয়।

ব্রিটিশ পুলিশ অফিসার জন সন্ডার্সকে হত্যার দায়ে ব্রিটিশ সরকার ভগত সিং, শিবরাম রাজগুরু ও সুখদেবের ফাঁসি দিয়েছিল ১৯৩১ সালের ২৩ মার্চ। সাইমন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারীদের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশ সুপার জেমস স্কট বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠি চার্জ করার নির্দেশ দেন। এই লাঠিচার্জে বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা লালা লাজপত রায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন। চিকিৎসায় থাকা সত্বেও তিনি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি এবং ১৯২৮ সালের ১৭ নভেম্বর মাসে তিনি মারা যান। এরপর ভগৎ সিং প্রতিজ্ঞা করেন তিনি লালা লাজপত রাইয়ের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেবেন।

জন সন্ডার্সকে গুলি করার পরে, ভগৎ সিং এবং তাঁর সহযোগীরা কেন্দ্রীয় বিধানসভায় বোমা বিস্ফোরণ করে পালিয়ে যান। ব্রিটিশ কর্মকর্তারা তাঁদের গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি অভিযান চালান। ভগৎ সিং এবং তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তার সম্পর্কিত আরও অনেক তথ্য রয়েছে।

 ১৯২৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর জন সন্ডার্স যখন লাহোরের জেলা পুলিশ সদর দপ্তর ছেড়ে নিজের বাড়ি যাচ্ছিলেন তখন তাকে গুলিবিদ্ধ করা হয়েছিল। সন্ডার্সকে প্রথম গুলি করেছিলেন রাজগুরু, তাঁর মুখে মুখোশ পরা ছিল। তারপরে ভগৎ সিং বেশ কয়েকবার গুলি চালিয়েছিলেন। ভগৎ সিং ও তাঁর সহযোগীরা পালানোর সময় এক ভারতীয় পুলিশ কনস্টেবল তাঁদের ধাওয়া করেছিলেন। কিন্তু, সেই সময় মুক্তিযোদ্ধা চন্দ্রশেখর আজাদ এই কনস্টেবলকে গুলি করেন। ১৯২৯ সালের এপ্রিল মাসে, ভগৎ সিং এবং তাঁর সহযোগী বটুকেশ্বর দত্ত কেন্দ্রীয় বিধানসভায় দুটি বোমা নিক্ষেপ করেছিলেন। বিস্ফোরণের ফলে সভার কয়েকজন সদস্য আহত হন। ভগৎ সিং এবং বটুকেশ্বর দত্ত পালাতে পারতেন কিন্তু, তাঁরা সেখানে থেকে তাঁদের বিখ্যাত স্লোগান 'ইনকিলাব জিন্দাবাদ' উত্থাপিত করেছিলেন। গ্রেপ্তারের পর ভগৎ সিং প্রচুর জনসমর্থন ও সহানুভূতি অর্জন করেছিলেন। বেশ কয়েক মাস ধরে তাঁকে বন্দী করে রাখা হয়েছিল। তাঁর সহযোগীদেরও খুব অল্প সময়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং তাঁদের সকলকে সন্ডার্স হত্যার জন্য বিচারে প্রেরণ করা হয়েছিল।  ১৯৩১ সালে ভগৎ সিং, সুখদেব এবং রাজগুরু-কে ২৪ মার্চ ভোরে ফাঁসি দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিশাল জনতার জমায়েতের ভয়ে ১৯৩১ সালের ২৩ মার্চ রাতে তাঁদের ফাঁসি দেওয়া হয়। ভগৎ সিং-এর যখন ফাঁসি হয়েছিল তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৩ বছর। তিনি একটুও দ্বিধা না করে দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাই, তিনি মারা গেলেও বহু প্রজন্মের কাছে তিনি অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন।


শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…