
নয়াদিল্লি, ২০ জুলাই : পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল বলে আর কিছু নেই, সোমবার সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে এই মন্তব্য করেছেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি তথা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, "পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল বলে আর কিছু নেই। খুঁজলেও তাদের আর পাওয়া যাবে না। হাতেগোনা যাদের দেখা মিলছে, তারা হেলমেট পরে ঘুরছে; কারণ সাধারণ মানুষ তো বটেই, নিজেদের দলের লোকেরাও তাদের দিকে ডিম ছুড়ছে। তৃণমূলের এখন এমনই অবস্থা।" 'বন্দে মাতরম' বিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "এটি অবশ্যই করা উচিত। নেহরু জির রাজনীতি ছিল বন্দে মাতরম-বিরোধী। কোনও বিরোধিতা বরদাস্ত করা হবে না। এখন সারা দেশ 'বন্দে মাতরম'-এর চেতনায় উদ্বেলিত। ভারত ও 'বন্দে মাতরম' সমার্থক। যারা 'বন্দে মাতরম'-কে খণ্ডিত ও রাজনীতিকরণ করেছিল, তাদের সময় ফুরিয়ে গেছে। ভারতে এখন আর বাবরের শাসন নেই।"
তৃণমূলের বিদ্রোহীদের প্রসঙ্গে এদিন সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, "দলত্যাগী ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে অভিযুক্ত সেই ২০ জন সাংসদ— যাদের সদস্যপদ বাতিলের আবেদন এখনও বিচারাধীন এবং যারা এনসিপিআই নামক একটি অস্বীকৃত দলে যোগ দেওয়ার দাবি করলেও স্পিকার কর্তৃক সেই দলবদল বা সংযুক্তি অনুমোদিত হয়নি—তাঁদেরই গতকাল সর্বদলীয় বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এর প্রতিবাদে বিরোধী দলের সকল সদস্য সভা থেকে ওয়াক-আউট করেছিলেন; আর আজ দেখা যাচ্ছে যে সরকার আসন বিন্যাস পরিবর্তন করেছে। এতদিন পর্যন্ত সংসদে ট্রেজারি বেঞ্চ (সরকারি দলের আসন) ও বিরোধী দলের বেঞ্চ—এই দুটি ভাগই ছিল। কিন্তু আজ একটি নতুন বিভাগের উদ্ভব হয়েছে—'বিশ্বাসঘাতকদের বেঞ্চ'। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় সেই 'বিশ্বাসঘাতকদের বেঞ্চ'-এর নেতা হিসেবে সামনের সারিতে বসতে চলেছেন। সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এটি এক নতুন অধ্যায়।"
