
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: এসআইআর এবং নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে বিরোধীদের রাজনৈতিক প্রচারের মোকাবিলায় এবার যুবসমাজকে সাংগঠনিক ভাবে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছে বিজেপি। মঙ্গলবার দলের সদর দপ্তরে সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীনের প্রথম বড় সাংগঠনিক বৈঠকে সদ্য নিযুক্ত দেশের ৩৭টি রাজ্যের প্রভারী ও সহ-প্রভারীদের উদ্দেশে একাধিক বার্তা দেন তিনি। বৈঠকে নীতীনের স্পষ্ট নির্দেশ, “আরাম করার সময় নেই।” ব্যক্তিগত স্বার্থের পরিবর্তে দলের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রত্যেককে রাজ্যের মাটিতে নেমে কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি। নিজের কথা বলার চেয়ে সাধারণ মানুষের কথা বেশি করে শোনার উপর জোর দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বিশেষ করে যুবসমাজের মতামত, সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনার নির্দেশও দেন তিনি।
বিরোধীরা নির্বাচন কমিশন ও এসআইআর নিয়ে যে ‘ন্যারেটিভ’ তৈরি করছে, তার পালটা বক্তব্য শুধু দিল্লির সাংবাদিক বৈঠকে সীমাবদ্ধ না রেখে বুথে-বুথে, মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কৌশল নিয়েছে বিজেপি। সেই কাজে যুবসমাজের মনোভাব বোঝাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বিরোধীদের প্রচারের প্রভাব কোথায় পড়ছে, কোন প্রশ্নে যুবাদের মধ্যে সংশয় তৈরি হচ্ছে-তা সরাসরি বুঝেই পালটা রাজনৈতিক প্রচারের রূপরেখা তৈরি করতে চাইছে দল।
সুত্রের খবর, বৈঠকে দলের সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক বি এল সন্তোষের বার্তাও ছিল একই সুরে। যুবাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে, তাঁদের কথা শুনতে হবে, তাঁদের ‘সেন্টিমেন্ট’ বুঝতে হবে। পাশাপাশি নিয়মিত বুথস্তরের বৈঠক করে কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। শুধু প্রচার নয়, তার ফলও চাইছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কোন রাজ্যে কী কাজ হল, যুবাদের প্রতিক্রিয়া কী, বিরোধীদের ন্যারেটিভের মোকাবিলায় কী পদক্ষেপ করা হল- তার ‘আউটকাম রিপোর্ট’ নিয়মিত দিল্লিতে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে এদিনের বৈঠকে।
