
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা খেলেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কাঁথি আদালত। আদালতের এই সিদ্ধান্তের জেরে আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত জেলেই থাকতে হবে তাঁকে। নন্দীগ্রামে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ৬ অক্টোবর। ফলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটের দিনও জেলবন্দি অবস্থাতেই থাকতে হবে কংগ্রেস প্রার্থীকে। ভোটের ঠিক আগে মিলন প্রধানের জামিনের আবেদন খারিজের ঘটনায় নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।
আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন রয়েছে নন্দীগ্রামে। তার আগেই কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন জেলবন্দি কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। যে মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন, সেটি বাদে সমস্ত মামলাই প্রত্যাহার করে নিয়েছে রাজ্য। মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টে এমনটাই জানিয়েছে রাজ্য। এরপরেই জামিন চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী। আজ, বুধবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে এই সংক্রান্ত আবেদন জানান মিলন প্রধানের আইনজীবী। একইসঙ্গে দ্রুত শুনানিরও আবেদন জানানো হয়। সেই আবেদনই খারিজ করে দেয় আদালত। অর্থাৎ ভোটের আগে জেলমুক্তি হচ্ছে না নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীর।
গত সপ্তাহে পুরনো খুনের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে। জোড়া মামলায় আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁর জেল হেফাজত ছিল। কিন্তু আদালতে জামিনের আবেদন খারিজ হতেই জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়ল মিলনের। ৭ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁকে জেলেই থাকতে হবে। অন্যদিকে, সোমবার তাঁর আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য হাই কোর্টে আবেদন জানান, বাকি যে পাঁচটি মামলা রয়েছে মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে, তাতে যাতে ‘শোন অ্যারেস্ট’ও না করা হয়, সেই রক্ষাকবচ দেওয়া হোক।
এরপরেই জামিন চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন মিলন প্রধান। বুধবার তাঁর আইনজীবী আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত মামলাটি শুনানির জন্য আর্জিও জানান। এক্ষেত্রে আইনজীবীর যুক্তি, নন্দীগ্রাম উপ নির্বাচনে মিলন প্রধান কংগ্রেসের প্রার্থী। ভোটের দিন ক্রমশ এগিয়ে আসছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত তাঁর জামিনের আবেদনের শুনানি হওয়া প্রয়োজন। বলে রাখা প্রয়োজন, ২০০৭ সালে নন্দীগ্রাম আন্দোলন ও পরবর্তী সময়ে মোট ১১টি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে। এরমধ্যে দুটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
