
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ ২২৪ শে ১৩৫ সংখ্যাটা নেহাতই কম নয়। এটাই কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের ফলাফল। আগামী বৃহস্পতিবার সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। কিন্তু তার আগে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া না রাজ্যের কংগ্রেসের সভাপতি ডিকে শিবকুমার, কে কর্নাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন, তা নিয়ে তুঙ্গে জল্পনা। মুখ্যমন্ত্রীর পদ কোনও ‘পৈতৃক সম্পত্তি’ নয় যে, তা ভাইবোনদের মতো ভাগ করে নিতে হবে। সরকার গঠনের ক্ষেত্রে এ ধরনের বালখিল্য সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। তার মধ্যেই সে রাজ্যের কংগ্রেসের সভাপতি ডিকে শিবকুমার কর্নাটকে সরকার গড়া এবং মুখ্যমন্ত্রীর পদ প্রসঙ্গে এমনই মন্তব্য করেছেন।
শিবকুমারকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি সিদ্দারামাইয়ার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ভাগ করে নেবেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘‘ভাইবোনদের মতো পৈতৃক সম্পত্তি ভাগ-বাঁটোয়ারা করার বিষয় এটা নয়। এটা সরকার গঠনের প্রশ্ন। ভাগাভাগি করা যাবে না।’’
সোমবারই সিদ্দারামাইয়াকে ‘শুভেচ্ছাবার্তা’ জানাতে দেখা গিয়েছিল শিবকুমারকে। তার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয় যে, সিদ্দাকে মুখ্যমন্ত্রী বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি সম্মতি জানিয়েছেন। এবং সে কারণেই শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন তিনি। তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে শিবকুমার বলেন, ‘‘এই সব বাজে কথা। এখনও কিছু আলোচনা হয়নি। আমি সনিয়া গান্ধী এবং কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে, আমি কর্নাটক কংগ্রেসের হাতে তুলে দেব। আমি আমার কথা রেখেছি। এখন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবে।’’
পাশাপাশি শিবকুমার এ-ও স্পষ্ট করেছেন যে, ক্ষমতা দখলের জন্য তিনি কাউকে ব্ল্যাকমেল করবেন না বা কাউকে জোরাজুরি করবেন না। মুখ্যমন্ত্রী হতে তিনি বাইরে থেকে কোনও কলকাঠি নাড়বেন না বলেও জানিয়েছেন শিবকুমার।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই দিল্লি উড়ে যাচ্ছেন শিবকুমার। সোমবার তাঁকে এবং সিদ্দারামাইয়া, দুই নেতাকেই দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। খড়্গে ছাড়াও সেই বৈঠকে ছিলেন রাহুল গান্ধী, সনিয়া গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো শীর্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু সিদ্দা দিল্লি গেলেও সোমবার শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দিল্লি যাননি শিবকুমার। তিনি যাচ্ছেন মঙ্গলবার। মনে করা হচ্ছে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।
